এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > অযোধ্যা এখন আর শুধু রামমন্দির নয় বিখ্যাত হবে মক্কার কাবা মসজিদের ছোঁয়াতেও! জানুন বিস্তারিত

অযোধ্যা এখন আর শুধু রামমন্দির নয় বিখ্যাত হবে মক্কার কাবা মসজিদের ছোঁয়াতেও! জানুন বিস্তারিত



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা নিয়ে প্রথম থেকে শুরু হয়েছিল বিতর্ক। অযোধ্যাতে মন্দির হবে না মসজিদ, সেই কথায় সীলমোহর লাগাতে শেষ পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয় সুপ্রিম কোর্টকে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হবে ঘোষণা করার পরও তা মানতে নারাজ ছিলেন অনেকেই। তবে শেষ পর্যন্ত অযোধ্যায় রাম মন্দিরের সঙ্গে মসজিদও গড়ে উঠবে সে কথা বলা হয়েছিল। রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর দিনই বলা হয়েছিল যে মন্দিরের সঙ্গে মসজিদও খুব তাড়াতাড়ি গড়ে উঠবে অযোধ্যায়। তবে কেমন হবে সেই মসজিদ, তা নিয়ে সম্প্রতি কথা বলতে শোনা গেল মসজিদ গঠনকারী ট্রাস্টকে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অযোধ্যায় নতুন মসজিদ গড়ে তোলার জন্য ইন্দো-ইসলামিক কালাচারাল ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট গঠন করেছে উত্তরপ্রদেশ সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড। এরপর থেকেই রাম মন্দিরের জায়গা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ধন্নিপুরে একটি মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা শুরু হয়। বর্তমানে ওই জায়গায় সরকারি ফার্মে কৃষিকাজের জমির পাশাপাশি রয়েছে একটি দরগাও। আর সেখানেই ১৫ হাজার বর্গফুটের একটি মসজিদ তৈরির প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

শুধু তাই নয়, মসজিদ নির্মাণ হবে এই কথা ঘোষণা হওয়ার পর সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে তার লোগো। অন্যদিকে নির্মানের প্রাথমিক কাজও কিছুটা এগিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। তবে সম্প্রতি এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে শোনা গেছে মসজিদ তৈরির দায়িত্বে থাকা ইন্দো-ইসলামিক কালাচারাল ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের সম্পাদক ও মুখপাত্র আতাহার হুসেনকে। তাঁর মতে মক্কার বিখ্যাত কাবা মসজিদের আদলেই তৈরি হবে এই মসজিদ। বাবরি মসজিদের আয়তনের মতোই ১৫ হাজার বর্গফুট জায়গা নিয়ে গড়ে উঠবে এই মসজিদ। তবে বাবরি মসজিদের থেকে একেবারে আলাদা আদলে মসজিদটি নির্মাণ হবে বলে জানা গেছে।

শুধু তাই নয়, এটি কাবা মসজিদের মতো চৌকো গড়নের হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। তবে ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানা গেছে, এখনও পুরো বিষয়টাই আলোচনার স্তরে রয়েছে। অর্থাৎ কাবা মসজিদে যেমন কোনও গোল মাথা বা গম্বুজ নেই, তেমনই অযোধ্যার মসজিদও সেভাবে তৈরি হতে পারে। এবিষয়ে ট্রাস্টের মুখ্যপাত্রের তরফ থেকে জানা গেছে এই মসজিদটি বাবরি মসজিদের নামে হবে না। এমনকী অন্য কোনও রাজা-মহারাজের নামেও হবে না। তবে তাঁর ব্যক্তিগতভাবে ইচ্ছা, এটিকে ধন্নিপুরের মসজিদ বলেই সবাই চিনুক। অন্যদিকে ট্রাস্টের তরফে একটি অনলাইন পোর্টালও খোলা হয়েছে বলে জানা গেছে। যার মাধ্যমে মসজিদ ও মিউজিয়ামের জন্য অর্থ দান করতে পারেন যে কেউ। তবে সেটি এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। তবে খুব শীঘ্রই সেটি চালু হয়ে যাবে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!