এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > অযোধ্যা মন্দির তো শুধু ট্রেলার! এবার রাম দিয়ে গ্রাম ‘ঘেরার’ মহা পরিকল্পনায় গেরুয়া শিবির!

অযোধ্যা মন্দির তো শুধু ট্রেলার! এবার রাম দিয়ে গ্রাম ‘ঘেরার’ মহা পরিকল্পনায় গেরুয়া শিবির!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – গত ৫ ই আগস্ট বুধবার রাম জন্মভূমি অযোধ্যায় বিপুল সমারোহে পালিত হলো রাম মন্দিরের ভূমি পূজনের উৎসব। আর ভূমিপূজনের এই সমারোহের দিনেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ঘোষণা করলো তাদের একটি বিরাট কর্মসূচি। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে এদিন জানানো হয়েছে, আগামী দিনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ দেশের মোট ৪ লক্ষ গ্রামে রামের মুত্তি গড়বে ও সংশ্লিষ্টস্থানে রামমন্দির প্রতিষ্ঠা করবে। সংবাদ সূত্র অনুযায়ী, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ দেশের ৪ লক্ষ গ্রাম ও ১০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সেইসঙ্গে তারা স্থির করেছে, গ্রামের প্রতিটি বাড়ি থেকে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ১১ টাকা করে চাঁদা সংগ্রহ করবে। সেই সঙ্গে সমস্ত গ্রামে আয়োজন করা হবে ধর্মসভার।

সংবাদসূত্রে জানা গেছে, দেশে রাম মন্দির নির্মাণের এই বিশেষ কর্মসূচি নিয়ে আগামী ডিসেম্বর মাসে একটি বিরাট বৈঠক ডাকতে চলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। শোনা গেছে উক্ত বৈঠকে তাঁদের আগামী পরিকল্পনার অনুমোদন দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উদ্যোগে দেশের বেশ কিছু শহরে রাম মন্দিরের ভূমি পূজনের প্রসাদ বিতরণ চলছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত, রাম মন্দির নির্মাণ আন্দোলনে বিশেষভাবে ভূমিকা গ্রহণ করেছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। রাম মন্দির আন্দোলনকে সমাজের স্তরে স্তরে পৌঁছে দিতে, দলিত হিন্দুদের এই আন্দোলনে সামিল করতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এর মতোই বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। প্রসঙ্গত, ৯ নভেম্বর ১৯৮৯ সালে রাজীব গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন রাম মন্দিরের যখন প্রথম শিলন্যাস হয়েছিল তখন বিহারের দলিত কর্মকর্তা কামেশ্বর চৌপালের হাত থেকে মন্দিরের ইট নেওয়া হয়েছিল। রাম মন্দির আন্দোলনের মাধ্যমে সারাদেশের হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করতে চেয়েছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

রাম মন্দির নির্মাণ তথা মন্দিরের ভূমিপুজন প্রসঙ্গে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যধ্যক্ষ অলোক কুমার বলেছেন, ” ৪৯২ বছরের অপেক্ষার পর এখন সময় এসেছে। রাম মন্দিরের জন্য অনেকেই বলিদান দিয়েছে।” রাম মন্দির নির্মাণ সম্পূর্ণ হবার পর কি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ মথুরা, কাশির মন্দির পুনর্নির্মাণের কাজে হাত দেবে? সাংবাদিকের এই প্রশ্নের উত্তরে আলোক কুমার বলেছেন, ” যতদিন গোটা ভারত রামময় না হবে, আমাদের কাজ সম্পূর্ণ হবে না। এখনই কাশীর কথা বলব না, কারণ এখনো অযোধ্যার কাজ বাকি আছে।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!