এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বাংলার বিধানসভায় পাস হল সিএএ বিরোধী প্রস্তাব, জেনে নিন বিস্তারিত!

বাংলার বিধানসভায় পাস হল সিএএ বিরোধী প্রস্তাব, জেনে নিন বিস্তারিত!



 

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন লাগু হওয়ার পর থেকেই তার চরম বিরোধিতা করে আসছেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আইন বাতিলের দাবিতে কখনও পদযাত্রা, আবার কখনও বা ধরনা থেকে সরব হয়েছেন তিনি। তবে এই আইনের বিরোধিতা করে প্রথম কেরলের বাম সরকার সেখানকার বিধানসভায় এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী প্রস্তাব পাস করে।

আর তারপর থেকেই এই রাজ্যের বাম এবং কংগ্রেস নেতৃত্বরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখে এই আইনের বিরোধিতা করলেও, কেন কেরলের পথে হেটে রাজ্য বিধানসভায় এই আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ করছেন না? এমনকি এই কাজ না করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সমঝোতা রয়েছে বলেও দাবি করতে শুরু করেন কংগ্রেস এবং বাম নেতারা। তবে কংগ্রেস এবং বাম যখন এই ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, ঠিক তখনই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন যে, রাজ্য বিধানসভাতেও এই সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পাস করা হবে।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, সেই মত সোমবার রাজ্য বিধানসভায় এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী প্রস্তাব পাস করানো হয়। যেখানে আগে থেকেই এই প্রস্তাবে সমর্থনের জন্য সরকারের তরফে বাম এবং কংগ্রেসকে চিঠি দিয়েছিলেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেইমতই এদিন বিধানসভার অন্দরমহলে এই প্রস্তাব পাশের সময় তাতে সমর্থন জানান বাম এবং কংগ্রেস বিধায়করা। তবে এই প্রস্তাব পাসের চরম বিরোধিতা করতে দেখা যায় বিজেপি বিধায়কদের।

কিন্তু শেষ মুহূর্তে এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী প্রস্তাব রাজ্য বিধানসভায় পাস হয়েছে। এদিন বিধানসভায় উপস্থিত হয়ে এই বিষয়ে কেন্দ্রকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ভেঙে দিলে আমার সরকার ভেঙে দিন। কেয়ার করি না। আমি মানুষকে কেয়ার করি। কিন্তু সংবিধানকে টুকরো করতে দেব না। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন অবিলম্বে বাতিল করা হোক। দিল্লিতে এনপিআর বৈঠক এড়ানোর হিম্মত রাখে বাংলা।”

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভা কেন্দ্রের আনা এই আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পেশ করে কেন্দ্রকেই কড়া চ্যালেঞ্জ জানালেন। যা শুধু রাজনৈতিক দ্বৈরথই সৃষ্টি করল না, সাথে সাথে প্রশাসনিক কাঠামোতেও বড় ফাটল ধরাতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন একাংশ। এখন গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে মোড় নেয়! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
Facebook Friends
error: Content is protected !!