এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > অশোক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ কে? অস্বস্তিতে অরুপ, গৌতম!

অশোক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ কে? অস্বস্তিতে অরুপ, গৌতম!



এবারের পৌরসভা নির্বাচনে শিলিগুড়ি পৌরসভা দখল করতে ধনুক ভাঙা পণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এতদিন রাজ্য থেকে তারা বামফ্রন্টকে মুছে ফেললেও, শিলিগুড়ি পৌরসভা দখল করতে সক্ষম হয়নি। তবে এবার সেই শিলিগুড়ি পৌরসভা বামেদের কাছ থেকে নিজেদের দখলে আনতে, ইতিমধ্যেই নানা ব্লু প্রিন্ট এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি নিতে শুরু করেছে ঘাসফুল শিবির। কিন্তু পৌরসভা দখল তাদের কাছে টার্গেট হিসেবে পরিণত হলেও, যে কোনো নির্বাচনেই যদি রাজনৈতিক দলের কোনো মুখ না থাকে, তাহলে সেই নির্বাচনে জেতা কার্যত অসম্ভব। শিলিগুড়ি পৌরসভায় তৃণমূলের ক্ষেত্রে ঠিক তেমনটাই হয়েছে বলে গোপন সভায় উঠে আসল।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামের ঘরে শিলিগুড়ি পৌরসভার নির্বাচন নিয়ে একটি গোপন বৈঠক করেন জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। যেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব সহ অন্যান্যরা। আর সেখানেই পৌরসভা নির্বাচনের সাফল্য পেতে দলের মেয়র মুখ কে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন একাংশ।

অনেকেই বলেন, “যদি নির্দিষ্ট কোনো মুখ না থাকে, তাহলে লড়াই হবে কি করে! তাই মেয়র কে হবে, তা আগে থেকেই ঠিক করে প্রচারে নামতে হবে। তা না হলে বিশ্বাসযোগ্যতা মার খাচ্ছে।” আর কর্মীরা মেয়র মুখ নিয়ে তাদের দাবি জানালেও, তৃণমূল এত সহজে যে এই পৌরসভায় কাউকে মুখ করে এগোবে না, তা কার্যত পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

 

 

কেননা ইতিমধ্যেই পৌরসভা নির্বাচনে কারা টিকিট পাবে, তা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে তৈরি হয়েছে শোরগোল পরিস্থিতি। কিছুদিন আগেই টিকিট পাওয়ার দাবিতে একটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের অনুগামীরা গৌতম দেবের বাড়িতে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। যাতে নিঃসন্দেহে বিরম্বনা বেড়েছে শাসকদলের। তাই এই পরিস্থিতিতে যদি আগেভাগেই কাউকে মেয়র মুখ হিসেবে ঘোষণা করে দেওয়া হয়, তাহলে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। তাই সেদিক থেকে গোপন বৈঠকে এই ব্যাপারে সকলে দাবি জানালেও, তা নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব নীরবতাই পালন করলেন বলে মত একাংশের।

এদিন এই প্রসঙ্গে বাইরে বেরিয়ে এসে জেলা তৃণমূল পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, “কাকে ভাবি মেয়র হিসেবে সামনে রেখে দল লড়াই করবে, তা কলকাতা থেকে দলনেত্রী ঠিক করবেন। তবে বাম পরিচালিত পৌরসভার পরিষেবা ব্যর্থ, তা সামনে রেখেই বাড়ি বাড়ি প্রচারের নির্দেশ দিয়েছি।” এদিকে শিলিগুড়ি পৌরসভার নির্বাচনের আগে বাম পরিচালিত পৌরসভাকে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কটাক্ষ করা হলে, তা নিয়ে পাল্টা জবাব দিয়েছেন সেই পৌরসভার মেয়র অশোক ভট্টাচার্য।

এদিন তিনি বলেন, “এরকম অনেক বৈঠক করেই ওরা আমাকে ব্যর্থ বলে দেখাতে চেয়েছে। লাভ কিছু হয়নি। প্রতিবন্ধকতার পাহাড় ডিঙিয়ে আমি ওদের চোখে চোখ রেখে কথা বলেছি।” এখন গোটা পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, কর্মীদের দাবি অনুযায়ী পর্যবেক্ষকের নির্দেশমত তৃণমূল শিলিগুড়ি পৌরসভা দখল করতে কতটা সচেষ্ট হয়, তা ভোটবাক্স খোলার পরেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!