এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > আর নেই কোনো ছাড়! ভোট প্রার্থীদের নিজেদের অপরাধের কথা ফলাও করে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানাতে হবেই!

আর নেই কোনো ছাড়! ভোট প্রার্থীদের নিজেদের অপরাধের কথা ফলাও করে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানাতে হবেই!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – নির্বাচন প্রার্থীর কোনও ফৌজদারী অপরাধ থাকলে সেই অপরাধ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যবলী সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকে স্পষ্টভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরতে হবে। এই বিষয়ে গত শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন আধিকারিকদের মধ্যে একটি দীর্ঘ বৈঠক চলছিল। এই বৈঠকের পরই এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান নির্বাচন কমিশন। এ বছরের আসন্ন বিহারের বিধানসভা নির্বাচন থেকেই এই নির্দেশিকা জারি হতে চলেছে।

নির্বাচন কমিশন তরফ থেকে জানানো হলো, কোন নির্বাচন প্রার্থীর প্রথম বিজ্ঞাপন মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন থেকে শুরু করে চার দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। পরবর্তী বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে হবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন থেকে শুরু করে ৫ দিনের মধ্যে। তৃতীয়টি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন থেকে শুরু করে ভোট প্রচারের শেষের দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। এই সমস্ত বিজ্ঞাপনে নির্বাচন প্রার্থীদের ফৌজদারি অপরাধের কথা স্পষ্ট ভাবে জানাতে হবে।

কোন প্রার্থী যদি কোন দলের প্রতিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভও করেন, তবে সেক্ষেত্রে অপরাধ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য তাঁকে এভাবেই প্রকাশ করতে হবে। কোন প্রার্থী যদি এই নির্দেশ অমান্য করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হলো নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।

একটা সময় নির্বাচনের প্রার্থীরা নিজেদের ফৌজদারি অপরাধের কথা হলফনামা প্রকাশ করে জানাত। এরপর গত ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্বাচন কমিশন জানায় যে, মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে ভোট গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নির্বাচন প্রার্থীদের ফৌজদারি মামলা বিষয়ক সমস্ত তথ্য সংবাদপত্র ও টিভিতে তিনবার বিজ্ঞাপন দিয়ে জনগণকে জানাবেন। কোন প্রার্থী যদি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতীকে নির্বাচনে লড়াই করেন। তবে তাঁর ফৌজদারি মামলার কথা তাঁর দলকেও তুলে ধরতে হবে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আবার এ বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ এ বিষয়ে বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, কোন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য রাজনৈতিক দলকে বাধ্যতামূলক ভাবে নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। সেইসঙ্গে তা একটি স্থানীয় একটি সংবাদপত্র ও একটি জাতীয় সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করতে হবে। এছাড়াও তা দলের ফেসবুক, টুইটার থেকে প্রকাশ করতে হবে। কোনো প্রার্থীর বাছাইয়ের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে অথবা তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন থেকে অন্তত দু সপ্তাহ আগে এসব তথ্য জানাতে হবে।

সেসময়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের ৭২ ঘণ্টা আগেই এই সমস্ত কাজ গুলি করা হয়েছে কিনা সে সমস্ত বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে। সেসময়ে কমিশন আরো জানায় যে, কোনো অভিযোগ হীন কোন ব্যক্তিকে যদি নির্বাচনের প্রার্থী করা হয়। তবে কমপক্ষে ১০০ টি শব্দের মধ্যে তা লিখিতভাবে জানাতে হবে। সেইসাথে কোন অপরাধের মামলায় যুক্ত থাকা ব্যক্তিকে যদি প্রার্থী করা হয়, সে বিষয়ও নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে।

এভাবে প্রার্থীর অপরাধ প্রকাশের নির্দেশিকা জারি করে দেশের গণতন্ত্র মজবুত হবে হলেই নির্বাচন কমিশনের দাবি। তবে, এর দ্বারা বাস্তবে গণতন্ত্র কতটা মজবুত হবে, সে বিষয়ে সন্দিহান অনেকেই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!