এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > অনুন্নয়নের প্রশ্নে অস্বস্তি এড়াতে অনুব্রতর কর্মিসভায় বিশেষ ব্যবস্থা! তাতেও থামছে না অভিযোগ

অনুন্নয়নের প্রশ্নে অস্বস্তি এড়াতে অনুব্রতর কর্মিসভায় বিশেষ ব্যবস্থা! তাতেও থামছে না অভিযোগ



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – আগামী ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে দলের সংগঠনকে মজবুত বীরভূম জেলার বুথে বুথে বুথকর্মী সভার আয়োজন করছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এই কর্মিসভা গুলিতে তিনি শাসকদলের বিভিন্ন বুথস্তরীয় কর্মী-সদস্যদের কাছ থেকে অভাব-অভিযোগ শুনছেন ও সমস্যার দ্রুত সমাধানে সচেষ্ট হচ্ছেন।

গতকাল বীরভূম জেলার, ডেউচা, আঙ্গারগড়িয়া, পুরাতন গ্রাম ও সেকেড্ডা পঞ্চায়েতের তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে কর্মীসভার আয়োজন করেছিলেন তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এদিন তিনি তৃণমূলের সমস্ত নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন যে, তাদের অভিযোগের কথা তাঁর কাছে লিখিতভাবে ব্যক্ত করতে। কারণ, পূর্বে মহম্মদ বাজারের একটি কর্মীসভায় জেলা সভাপতির কাছে অভিযোগ জ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে মতান্তর, বিবাদে জড়িয়ে পড়েন শাসকদলের বেশকিছু সদস্য। তাই এবার তিনি তাঁর কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানাবার কথা বলেছিলেন। তাঁর এই নির্দেশের পরও যারা তাঁর কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন, তাঁদের তিনি ব্যক্তিগতভাবে আলাদা করে অভিযোগ জানানোর কথা বলেছিলেন।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এরপর জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল আঙ্গারগড়িয়ার ৬৩ নম্বর বুথের সভাপতি সমীর বাগদিকে গত ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শাসক দলের পরাজয়ের কারণ জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এই প্রশ্নের জবাবে বুথ সভাপতি ও অন্যান্যরা তাঁকে সংশ্লিষ্ট স্থানের বেহাল হয়ে পড়া রাস্তাঘাটের কথা জানান। ওই রাস্তার বেহাল অবস্থার কথা শুনে সেই রাস্তায় গিয়ে রাস্তার অবস্থা দেখতে চান জেলা সভাপতি। সেসময় সেই বুথের বাসিন্দা জনৈক তৃণমূল মহিলা সমস্যা তাঁকে জানান, ” দাদা, আপনি যাবেন আমাদের গ্রামে? কিন্তু হাঁটতে পারবেন না যে! গোটা রাস্তা জুড়ে মল-মূত্র পড়ে। নর্দমাও নেই। বড় কষ্টে আছি আমরা।’’
রাস্তাঘাটের এই দুর্বিসহ অবস্থার কথা শুনে জেলা সভাপতি স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানকে এই রাস্তা পরিষ্কার ও নতুন করে নর্দমা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন।

রাস্তার বেহাল অবস্থা জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই আঙ্গারগড়িয়ার ৬৩ নম্বর বুথের এই মহিলা তৃণমূল কর্মী সেই এলাকায় নাগরিক জীবনের আরো কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এসব সমস্যার কথা শুনে জেলা সভাপতি যখন সংশ্লিষ্ট বুথের বুথ সভাপতিকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেন, তখন তার উত্তরে বুথ সভাপতি জানান যে, তাঁরা এলাকার জনগণের পৌঁছাতে যথার্থই ব্যর্থ। বহুকাল ধরে এই এলাকায় পানীয় জলের উপর প্রচন্ড সমস্যা আছে। পাইপলাইন থেকে যে জল আসে, তা নিয়মিত পাওয়া যায় না। ফলে অনেকে বাধ্য হয়ে দূর থেকে পানীয় জল সংগ্রহ করেন।

গতকালের এই কর্মীসভায় পুরাতন গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩৬, ৪১ নম্বর বুথ সভাপতিরা জেলা সভাপতির কাছে বুথ বিভাজনের অনুরোধ জানান। এই বিষয়টি দেখতে জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায়কে নির্দেশ দিয়েছেন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!