এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > অনুব্রতর শেষের শুরু কি হয়ে গেল? মমতার মন্ত্রী প্রকাশ্যেই দিলেন চরম হুঁশিয়ারি! তোলপাড় রাজ্য

অনুব্রতর শেষের শুরু কি হয়ে গেল? মমতার মন্ত্রী প্রকাশ্যেই দিলেন চরম হুঁশিয়ারি! তোলপাড় রাজ্য



আপনাদের সুবিধার্থে খবরের শেষে বিধানসভা ২০২১ উপলক্ষে আমাদের করা সর্বশেষ সমীক্ষার প্রতিটির লিঙ্ক দেওয়া আছে।

আপনার মতামত জানান -

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – আর হাতে গোনা কয়েক দিন পরেই এসে যাচ্ছে নতুন বছর। নতুন বছর মানেই বাংলার রাজনীতিতে আরও জোরদার তৎপরতা। কারণ 2021 মানেই বাংলার বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, বিধানসভা নির্বাচন যত কাছে আসছে, ততই শাসকদলের ভাঙনের ছবি আরো স্পষ্ট হচ্ছে। এমনিতেই একের পর এক নেতা দল ভেঙে চলে যাচ্ছেন। এরমধ্যেই এবার মাথাচাড়া দিয়েছে আবার তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ভার্সেস বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর বিরোধ। আর তার জেরেই এবার সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী প্রকাশ্যেই অনুব্রত মণ্ডলকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন। আর তাই নিয়েই শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য।

তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল নাম না করে এদিন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বর্ধমানে দাঁড়িয়ে বলেন, বীরভূমের গরম হাওয়া বর্ধমানে তিনি চাননা। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মহলের মতে, বীরভূমের গরম হাওয়া বলতে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী অনুব্রত মন্ডলের দিকেই ইঙ্গিত করছেন। দীর্ঘদিন ধরেই অনুব্রত বনাম সিদ্দিকুল্লার লড়াই চলছে। দলের মধ্যেও এই দুই নেতার সংঘাতের কথা সবার জানা। এর আগেও সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী অনুব্রতর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। সেসময় সিদ্দিকুল্লা অভিযোগ তুলেছিলেন, বালি খাদ থেকে পয়সা নিচ্ছে অনুব্রত আর রাজস্ব ফাঁকি যাচ্ছে সরকারের। প্রসঙ্গত, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী মঙ্গলকোটের বিধায়ক।

এদিকে অনুব্রত বীরভূমের জেলা সভাপতি হলেও তিনি আগে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট, আউসগ্রাম এবং কেতুগ্রাম বিধানসভা এলাকার তৃণমূলের পর্যবেক্ষক হিসেবে ছিলেন। বর্তমানে তৃণমূল থেকে পর্যবেক্ষক পদটিকে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে পর্যবেক্ষক না থাকলেও ওই তিন বিধানসভার দায়িত্বে কিন্তু এখনো অনুব্রত রয়েছেন। অন্যদিকে সিদ্দিকুল্লা মোটেই অনুব্রতর তত্ত্বাবধানে থেকে যে কাজ করতে রাজি নন সেকথা বারংবার স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন। শুক্রবার বর্ধমানের সার্কিট হাউসে বসে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী নাম না করে অনুব্রতর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন। তাঁর কথায়, তিনি ইচ্ছা করলেই মঙ্গলকোটে মিছিল বার করতে পারেন। কিন্তু দলের শৃংখলাবদ্ধ কর্মী হিসেবে তিনি নিয়ম মেনে চলছেন।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

একইসঙ্গে তিনি জানান, এর আগেও বোলপুর গেস্ট হাউসে একটি বৈঠকে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী সবাইকে একসাথে মিলেমিশে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্য সভাপতির নির্দেশ যে মানা হচ্ছে না, সে কথাই অভিযোগ করেন এদিন সিদ্দিকুল্লা। পাশাপাশি তিনি অনুব্রতর বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে জানান- দফায় দফায় অনুব্রত বাহিনী ঝামেলা করছে, মারধর করছে, হুমকি দিচ্ছে। এমনকি বাংলা আবাস যোজনায় অনেকেই ঘর পাচ্ছেন না বলে তাঁর কাছে অভিযোগ জানাতে আসলে তাঁদেরকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর অভিযোগ নিয়ে কোনোরকম প্রতিক্রিয়া জানাননি এখনো পর্যন্ত অনুব্রত মণ্ডল।

দীর্ঘদিন ধরেই মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের প্রত্যেককে একজোট হয়ে লড়াই করার কথা বলছেন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে একজোট হওয়াটা যে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, সেকথা তৃণমূলনেত্রী হাড়ে হাড়ে বুঝেছেন আর সেজন্যই তিনি বারংবার বার্তা দিচ্ছেন। কিন্তু তা সত্বেও বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে তাতে তৃণমূলের বিপদ যে আসন্ন সে কথা বুঝতে বাকি নেই কারোর। অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধেও যেভাবে বার্তা দিচ্ছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, তা নতুন করে কি তৃণমূল শিবিরে ভাঙন ধরাবে? ভাঙন রুখতে তৃণমূল নেত্রী কি অনুব্রতর বিরুদ্ধে এবার পদক্ষেপ নেবেন? উত্তরের খোঁজে ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার মতামত জানান -

 

একনজরে দেখে নিন আমাদের সর্বশেষ বিধানসভা ২০২১ ওপিনিয়ন পোল –

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – দ্বিতীয় পর্ব – 

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – প্রথম পর্ব – 

# মালদহ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# উত্তর দিনাজপুরে জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# জলপাইগুড়ি ও কালিম্পঙ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# কুচবিহার জেলার ওপিনিয়ন পোল –

আপনার মতামত জানান -
আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!