এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ‘গাঁজা কেসে ধরিয়ে দে’ – অনুব্রত মন্ডলের গ্রেপ্তারির জন্য চাপ বাড়াতে শুরু করল বিজেপি

‘গাঁজা কেসে ধরিয়ে দে’ – অনুব্রত মন্ডলের গ্রেপ্তারির জন্য চাপ বাড়াতে শুরু করল বিজেপি



গতকাল বোলপুরে তৃণমূল জেলা কমিটির বৈঠক নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনৈতিকমহলে। কারণ সেখানে উপস্থিত আউশগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডারকে ইঙ্গিত করে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করে ফেলেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। বলেন,”ফাইভ ম্যান কমিটি থেকে যে ছেলেটিকে (উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়) বাদ দিলাম না, ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে। মোটা করে মেয়েটা কী নাম- সংগীতা। ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে। বিজেপি করে, ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে। গাঁজা কেসে ধরিয়ে দে।” এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিরোধী শিবিরে। অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেসও।

তবে এই ধরনের মন্তব্যে তাঁর প্রথম হাতে খড়ি নয়। আগেও বহুবার বিতর্কিত মন্তব্য করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়িয়েছেন তিনি। কখনো বলেছেন, উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকবে কখনো আবার বলেছেন, মশারি টাঙিয়ে রাখুন একটাও যেন মশা না ঢোকে। এসব মন্তব্য করার জন্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ধমকও খেয়েছেন তিনি। কিন্তু স্বভাব পাল্টায় নি তাঁর। নিজস্ব স্টাইল বজায় রেখেছেন তিনি। ফের বিজেপিকে রুখতে এমন মন্তব্য করেই ফেললেন যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হল রাজ্য রাজনীতির অন্দরে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তবে বিজেপিও মুখে কুলুপ এঁটে বসে নেই। অনুব্রত বাবুকে পাল্টা দিলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বললেন,”আমি মনে করি ওকেই গাঁজা কেসে ধরা উচিত। ও গাঁজা খায় কি না খায় আমি জানি না। তবে, গাঁজাখোর নেশাখোরদের মতো কথাবার্তা বলছে।” একজন রাজনৈতিক নেতার এ ধরনের মুখের ভাষা দেখে তিনি বিষ্ময় প্রকাশ তো করেছেনই, এমনকী রীতিমতো রেগেও গেলেন। জানালেন,অনুব্রতবাবুর বোধশক্তি, কান্ডজ্ঞান সবই লুপ্ত হয়েছে। ওনাকেই আগে গ্রফতার করা উচিৎ।

এ কথা জানানোর পর দাবীতে জানালেন তিনি,বিজেপি করার অপরাধে কীভাবে যে দলীয় কর্মীদের ফাঁসানো হচ্ছে,তা আজও একবার প্রমাণ হয়ে গেল অনুব্রত বাবুর দৌলতে। গেরুয়া শিবিরের থেকে এরকম চাঁচাছোলা জবাব পাওয়ার পর গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরেও। এই প্রেক্ষিতে তাঁদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে,তা এখনো আঁচ করা যায়নি। তবে দুই যুযুধান গোষ্ঠীর আক্রমণ এবং পাল্টা আক্রমণে বাংলার রাজনৈতিক আবহ যে উত্তপ্ত হয়েছে সেকথা অস্বীকার করার উপায় নেই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!