এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > অনুব্রত-গড়ে উত্তেজনাময় মহানাটক! সকালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েও রাত্রেই ফিরলেন সেই তৃণমূলে!

অনুব্রত-গড়ে উত্তেজনাময় মহানাটক! সকালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েও রাত্রেই ফিরলেন সেই তৃণমূলে!



আপনাদের সুবিধার্থে খবরের শেষে বিধানসভা ২০২১ উপলক্ষে আমাদের করা সর্বশেষ সমীক্ষার প্রতিটির লিঙ্ক দেওয়া আছে।

আপনার মতামত জানান -

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –বিধানসভা নির্বাচনের আগে ক্রমশ বদলাতে শুরু করেছে পরিস্থিতি। বর্তমানে দলবদল বঙ্গ রাজনীতিতে সবথেকে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার বীরভূম জেলায় সকালে যারা বিজেপিতে যোগ দিলেন, রাত্রেই তারা আবার ফিরে এলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। যাকে কেন্দ্র করে কার্যত জমে উঠেছে বীরভূম জেলার রাজনীতি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে বীরভূমের দুবরাজপুরের 350 টি সংখ্যালঘু পরিবার তৃণমূলে যোগ দেয় ভারতীয় জনতা পার্টিতে। যেখানে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা রফিকা বিবি এবং তার স্বামীও বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে সন্ধ্যা গড়াতে না গড়াতেই সেই রফিকা বিবিকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে কেন তার এই সিদ্ধান্ত বদল! কেন সকালে বিজেপিতে যোগ দিয়ে রাতে আবার তিনি ফিরে এলেন তৃণমূল কংগ্রেসে! এখন তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।

এদিন এই প্রসঙ্গে রফিকা বিবি বলেন, “আমাকে হুমকি দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেই জন্য আমি আবার পুরোনো দলে ফিরে এলাম।” কিন্তু এই রফিকা দেবী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় দাবি করেছিলেন, গরিবের স্বার্থে কিছু করতে চাইলে তাকে নাকি গুরুত্ব দেওয়া হত না। তাই তিনি তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করেছেন। ফলে সকালে এক রকম বক্তব্য দিয়ে বিকেলে আবার এক রকম বক্তব্য দিয়ে কেন তিনি বিজেপি ত্যাগ করলেন, এখন তা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল তৈরি হয়েছে।

একাংশ বলতে শুরু করেছেন, বিধানসভা নির্বাচনের সময় যত এগোতে শুরু করেছে, ততই এই রকম ঘটনা ঘটার প্রবণতা বাড়ছে দেখা যাচ্ছে। যেভাবে সকালে বিজেপিতে যোগ দিয়ে আবার বিকেলে তৃণমূলে ফিরে আসলেন পঞ্চায়েত সদস্যা, তাতে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত জানান -

কেন তিনি আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসলেন? এদিন এই প্রসঙ্গে দুবরাজপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি ভোলানাথ মিত্র বলেন, “রফিকা বিবি আমাদের দলে ছিলেন। আমাদের দলেই আছেন। হুমকি দিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আরও যারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তারাও তৃণমূলে ফিরতে চান।” তবে এই ব্যাপারে অবশ্য বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কিন্তু একাংশ বলছেন, সকালে যে বা যারা বিজেপিতে যোগ দিলেন, বিকেলের মধ্যে তারা তৃণমূল কংগ্রেসে খুব সহজেই যোগ দিয়ে দেবেন, এমনটা কোনমতেই মানা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের সকলেই বলছেন, এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক শক্তির চাপ রয়েছে। আর তার কাছেই হয়ত বা মাথা নত করে এই পঞ্চায়েত সদস্যাকে দলবদল করতে হল বলে দাবি সমালোচক মহলের। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বীরভূম জেলার রাজনীতি এখন যে গোটা রাজ্যে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

 


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

একনজরে দেখে নিন আমাদের সর্বশেষ বিধানসভা ২০২১ ওপিনিয়ন পোল –

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – দ্বিতীয় পর্ব – 

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – প্রথম পর্ব – 

# মালদহ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# উত্তর দিনাজপুরে জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# জলপাইগুড়ি ও কালিম্পঙ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# কুচবিহার জেলার ওপিনিয়ন পোল –

আপনার মতামত জানান -
আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!