এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য জমির রেজিস্ট্রেশন ও মিউটেশন নিয়ে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত সরকারের

সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য জমির রেজিস্ট্রেশন ও মিউটেশন নিয়ে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত সরকারের

Priyo Bandhu Media


রাজ্যের সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে জমি বাড়ির রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে নয়া উদ্যোগ নিলো রাজ্য সরকার। জানা যাচ্ছে জমির রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে এবার মিউটেশন সার্টিফিকেটও পাওয়া যাবে। এই উদ্যোগ সফল করার জন্যে ভূমি রাজস্ব দপ্তর একটি নতুন সফটওয়্যার তৈরী করছে । এই সফটওয়্যার নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেই রাজ্যের সব রেজিস্ট্রেশন দপ্তরে জমি রেজিস্ট্রেশনের পর দলিল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অটোমেটিক মিউটেশনও হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে জমির মালিকের থেকে শুধু মাত্র মিউটেশন ফি নেওয়া হবে। খুব শীঘ্রই এই এই অটোমেটিক মিউটেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের বিশিষ্ঠ জনদের মতে এই প্রক্রিয়া শুরু হলে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজে অনেক জটিলতা কমিয়ে আনতে সক্ষম হবে রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য বর্তমানে রাজ্যে ২৯০টি রেজিস্ট্রেশন অফিস রয়েছে। আর বিএলআরও আছে ৩৪৬টি। বর্তমানে জমির রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে সঙ্গে সেই জমির উপরে একটি নম্বর বিএলআরও দপ্তরের অফিসে চলে যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় জমির দলিল পাওয়ার পরে খুব কম লোকই সাথে সাথে মিউটেশন করান। এই মিউটেশান না করানোর ফলে কোনো জমি বার বার বিক্রি হলেও তার সঠিক রেকর্ড থাকে না। কারণ, মিউটেশন না হওয়ার ফলে পরচা হয় না। ভূমি দপ্তরের এক অফিসার জানালেন পরচাই হলো জমির আসল পরিচয়পত্র ।

em>আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তাঁর মতে, অনেক জমির পরচা না থাকায় পরিষ্কার বোঝা যায়, সেই জমির মালিক মিউটেশন করাননি। দলিল হয়ে যাওয়ার পর আর কেউ তা নিয়ে আর বিষেষ গরজ দেখায় না। এখন রাজ্য সরকার সেটাই বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে। সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকেরা মনে করেন এরফলে জটিলতা অনেক কমে যাবে। এইরকমই এক আধিকারিকের বিবৃতি থেকে জানা গেল নতুন নিয়ম মোতাবেক জমির রেজিস্ট্রেশনের পর সঙ্গে সঙ্গে মিউটেশনের জন্য ফি জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। সাতদিনের মধ্যে জমির ক্রেতার কাছে এসএমএস পৌঁছে যাবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে যদি কোনও দাবি ওঠে সেইদিক বিবেচনা করেই ভূমি দফতর সাতদিন সময় হাতে রাখবে। তারপরেই সার্টিফিকেট তৈরী হয়ে যাবে। উল্লেখ্য বর্তমানে মিউটেশন ফি হবে কৃষিজমি প্রতি ডেসিমেলের জন্য ন্যূনতম ৪০ টাকা। এবং বাণ্যিজিক প্লট প্রতি ডেসিমেলের জন্য ৫০০ টাকা। জমি রেজিস্ট্রেশন থেকে রাজ্য সরকারের আয় আগের তুলনায় এখন অনেকটাই বেড়েছে। গত বছর স্ট্যাম্প ডিউটি রেজিস্ট্রেশন থেকে চার হাজার কোটি টাকার উপর আয় হয়েছে। এই অটোমেটিক মিউটেশন সিস্টেমে আয় আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ঐ দফতরের আধিকারিকদের অনুমান অনুসারে এর ফলে কমপক্ষে ৫০০ কোটি টাকা আয় হবে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!