এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > অমিত শাহ মন্ত্রীসভায় যেতেই বিজেপির পরবর্তী সভাপতি নিয়ে শুরু চূড়ান্ত জল্পনা, দৌড়ে এগিয়ে কে?

অমিত শাহ মন্ত্রীসভায় যেতেই বিজেপির পরবর্তী সভাপতি নিয়ে শুরু চূড়ান্ত জল্পনা, দৌড়ে এগিয়ে কে?



লোকসভা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ট-র থেকে বেশি পেয়ে দেশের ক্ষমতায় এখন মোদি সরকার। আর এই জয়ের নেপথ্যে থাকা প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি এখন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দলের মধ্যে ” এক ব্যক্তি এক পদ” নিয়ম লাঘু থাকায় এখন স্বাভাবিক ভাবেই নতুন বিজেপি সভাপতির খোঁজ চলছে। অমিত শাহ এর উত্তরসূরি হিসেপে এই পদে উঠে আসছে প্প্রাক্তন স্বাস্থমন্ত্রী জগৎপ্রকাশ নাড্ডার নাম। আর এক প্রতিযোগী ভূপেন্দ্র যাদব কে পেছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন তিনি।

মোদি রাজত্বের প্রথম অংশে প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম সাফল্য ” আয়ুষ্মান ভারত”। স্বাস্থমন্ত্রী হিসেবে এই প্রকল্পের রূপায়ণে নাড্ডার ভূমিকায় অনণ্য।তাই মোদি-শাহ এর পছন্দের লোক তিনি। এছাড়াও দলের মধ্যে রণকৌশল তৈরিতে শাহ-এর পর দ্বিতীয় স্থান তাঁর। তাই তার বিজেপি সভাপতি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

নাড্ডা বিহারের সন্তান।তবে তার পড়াশোনা এবং বড় হয়ে ওঠা হিমাচল প্রদেশে। এবার ৭ দফার লোকসভা নির্বাচনে ৬-‌এ দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ থেকে দলের নেতাদের প্রচার সামলেছেন। এবার উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব সামলেছেন। নাড্ডা ৪৯.‌৬ শতাংশ ভোট ঘরে তুলেছেন। রাজ্যে সপা-‌বসপা-‌আরএলডি মহাজোট সত্ত্বেও বিজেপি মোট ৬২টি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে।হিমাচল প্রদেশে আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি-‌তে যোগ দেন তিনি।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

১৯৮৪-‌তে প্রথমবার হিমাচল ইউনিভার্সিটিতে বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই-‌কে হারায় এবিভিপি। সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত হন নাড্ডা। এরপর ‘‌৮৬ থেকে ‘‌৮৯ পর্যন্ত এবিভিপি‌র সাধারণ সম্পাদক পদ সামলান। তারপর ‘‌৯১ সালে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার সভাপতি হন। ‘‌৯৩ সালে ৩৩ বছর বয়সে হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হন। তারপর আরও দু-‌বার জয়ী হন এবং তারপর মন্ত্রী হন।

তবে ২০১০ সালে মুখ্যমন্ত্রী প্রেমকুমার ধূমল এবং তাঁর ছেলে অনুরাগ ঠাকুরের সঙ্গে বিরোধের জন্য তিনি মন্ত্রিত্ব ছাড়েন।এরপর নীতির গড়করির ডাকে তিনি দিল্লি আসেন। তাকে দলের জাতীয় স্তরে কাজের জন্য আহ্বান করা হয় এবং ২০১২ সালে তাকে হিমাচল প্রদেশ থেকে বিজেপি সংসদ করে দিল্লি আনা হয়।

স্বাস্থমন্ত্রীহিসেবে এত ভালো কাজের পরেও দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় তাঁর জায়গা না হওয়ায় অনেকেই বিস্মিত হয়েছিলেন।তবে এখন বিজেপি সভাপতির জন্য তিনি যেতে পারেন সে গুঞ্জনও উঠছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!