এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > আলকায়দা জঙ্গি গ্রেপ্তার, মুর্শিদাবাদ থেকে ২৪ পরগণার বাংলাদেশী অনুপ্রবেশ নিয়ে বাড়ছে চিন্তা!

আলকায়দা জঙ্গি গ্রেপ্তার, মুর্শিদাবাদ থেকে ২৪ পরগণার বাংলাদেশী অনুপ্রবেশ নিয়ে বাড়ছে চিন্তা!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – দেড় মাস আগে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সীমান্তবর্তী গ্রাম স্বরূপনগরের গাবর্ডা এলাকায় একটি লিফলেট মাঠে পড়ে থাকতে দেখা যায়। যেখানে লেখা ছিল, ‘জেহাদের পথে, বাংলা থেকে বাগদাদ।’ প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে ইতিপূর্বে বহুবার অনুপ্রবেশ ঘটেছিল।কিন্তু লিফলেট পাবার পরেই স্বরূপনগরের গ্রামবাসীরা পুলিশ ও গোয়েন্দাদের জানান যে, রাতের অন্ধকারে বেশ কিছু লোক এই গ্রামে এসেছিলো কাঁটাতারের সীমান্তের ওপার থেকে। মাঠে কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় মানুষের সঙ্গে তাদের কথা বলতেও দেখা যায় গেছে। এমনকি দু এক জনের মধ্যে কিছু জিনিসের হাতবদলও হয়েছে। এরপরই পুলিশ ও গোয়েন্দারা এই স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে তৎপর হয়। আবার গতকাল মুর্শিদাবাদ থেকে আল-কায়েদা জঙ্গি সন্দেহে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সীমান্তবর্তী স্থান গুলির নিরাপত্তা নিয়ে আরও বেশি তৎপর হয়ে উঠেছে প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, গত ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে বেনাপোল সীমান্ত থেকে এদেশে অনুপ্রবেশকারী পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার শেখ সামিরকে তার চার জন লস্কর-ই-তৈবা সঙ্গী সমেত আটক করে বিএসএফ। এরপর বনগাঁ থানার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। সিআইডি তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালায়। তার সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয় মহম্মদ ইউনুস, শেখ আবদুল্লা, মুজাফফর আহমেদকে। এদের মধ্যে আবদুল্লা ও ইউনুস পাকিস্তানের বাসিন্দা, মুজাফফরের বাড়ি কাশ্মীর। কাশ্মীরের সেনা ছাউনিতে হামলার পরিকল্পনা নিয়েছিল তারা। শেখ সামিরের কাছ থেকে বিস্ফোরক রূপে প্রচুর নাইট্রোগ্লিসারিন উদ্ধার করা হয় সে সময়। বনগাঁ আদালতের বিচারে ফাঁসির আদেশ হয় তার।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

গোয়েন্দা সূত্র থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি জামাত-উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি জঙ্গি সংগঠন বাংলাদেশে নিষিদ্ধ বলে ঘোষিত হওয়ায় তাদের মধ্যে তীব্র হয়েছে অর্থ ও সদস্য সংকট। অর্থ সংকটের কারণেই তারা চোরাচালানের ব্যবসা ফেঁদেছে, আর তার সঙ্গে সঙ্গেই চালাচ্ছে সদস্য বৃদ্ধির কাজ। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অল্প বয়স্কদের মগজধোলাই করে তাদের তাদের দলভুক্তির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ কাজে তাদের বিশেষ সহায়ক হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া।

গতমাসে, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটের দন্ডিরহাটট থেকে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করল গুজরাত পুলিশের এসটিএফ। পুলিশের অভিযোগ, বিস্ফোরনে অভিযুক্ত বেশ কিছু জঙ্গিকে সে নিজের বাড়িতে রেখেছিল। হুন্ডির দ্বারা জঙ্গিদের সে অর্থ সাহায্য করতো বলেও অভিযোগ আছে।

আবার, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাদুড়িয়া থেকে তানিয়া পারভিন নামে এক কলেজ ছাত্রীকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ সম্প্রতি গ্রেপ্তার করেছে। গোয়েন্দারা জানিয়েছে, ইতিমধ্যে এ রাজ্যে গ্রেফতার হওয়া প্রথম লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি হল এই তানিয়া পারভিন। ৫০ টিরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালাত সে। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে উস্কানিমূলক মেসেজ পাঠিয়ে অল্প বয়সীদের প্ররোচিত করতো সে। জঙ্গী সংগঠনের সদস্য সংগ্রহের দায়িত্বভারও নিয়েছিল সে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!