এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > আলকায়দার হাত ধরে রোহিঙ্গাদের দলে টেনে বৃহত্তর পরিকল্পনায় ছিল বাংলার জঙ্গিরা! জানুন বিস্তারিত

আলকায়দার হাত ধরে রোহিঙ্গাদের দলে টেনে বৃহত্তর পরিকল্পনায় ছিল বাংলার জঙ্গিরা! জানুন বিস্তারিত



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – সম্প্রতি এনআইএর তৎপরতায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে সাত জন ও কেরালা থেকে তিন জন আলকায়দা জঙ্গিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। জঙ্গিদের জেরা করে একাধিক বিষয়ে জানতে পেরেছেন এনআইএর তদন্তকারী আধিকারিকেরা। সম্প্রতি ধৃত জঙ্গী মুর্শিদকে জেরা করে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সম্প্রতি জানতে পেরেছেন আধিকারিকেরা। জেরায় সে স্বীকার করে নিয়েছে যে, অর্থের বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের তাদের দলে টেনে বিরাট নাশকতার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

এনআইএর তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মুর্শিদাবাদ, মালদহ জেলায় রোহিঙ্গাদের আনাগোনা অত্যন্ত বেশি। সীমান্ত পেরিয়ে এই দুটি জেলায় তারা বসতি স্থাপন করেছে। অধিকাংশ রোহিঙ্গার কোন কাজকর্ম নেই। ফলে অর্থের বিনিময়ে তাদের সন্ত্রাসবাদি বানানো খুব একটা কঠিন কাজ নয়। এই সুযোগটাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছিল আলকায়দা জঙ্গিরা।

গোয়েন্দাদের কাছে ধৃত আল-কায়েদা জঙ্গী’ সুজাউদ্দিন ও মুরশিদ স্বীকার করেছে যে, রাজ্যে রোহিঙ্গা শিবিরে যাতায়াত শুরু করেছিল তারা। রোহিঙ্গাদের জিহাদী, নাশকতামূলক কার্যকলাপের শিক্ষাদানও শুরু হয়েছিল। তাদের মগজ ধোলাই শুরু হয়েছিল। অর্থের বিনিময়ে তাদের আকৃষ্ট করা হতো জঙ্গি কার্যকলাপে। এনআইএ সূত্রের খবর, এই জঙ্গিরা তিন বছরে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকার ত্রাণ দিয়েছিল বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরে। যার মধ্যে নগদ টাকাও ছিল।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এমনকি বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্যও নগদ কুড়ি লক্ষ টাকা দিয়েছিল ধৃত জঙ্গী মুর্শিদ। বাংলাদেশের জনৈক আল-কায়েদা নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে বৈঠক পর্যন্ত সে করেছিল। দুদেশে থাকা রোহিঙ্গারা যাতে সহজেই সীমান্ত পাড়ি দিয়ে যাতায়াত করতে পারে সে জন্য জাল পরিচয় পত্র তৈরীর কাজও শুরু করেছিল জঙ্গিরা। এমনকি করলে থাকা রোহিঙ্গাদেরও দলে টানতে শুরু করেছিল মুর্শিদ। গোয়েন্দাদের জেরার কাছে এই সমস্ত কথাই স্বীকার করে নিয়েছে সে।

গোয়েন্দারা আরও জানতে পেরেছেন যে, মুর্শিদাবাদ, মালদহ সহ বিভিন্ন স্থানের বেশ কিছু ব্যবসায়ী এই জঙ্গিদের বিপুল পরিমান অর্থ দান করতো। যে কারণে তাদের তহবিলে বিপুল টাকা এসেছিল। যে টাকা তারা ব্যবহার করতো তাদের জঙ্গি কার্যকলাপে। এরপর এই ব্যবসায়ীদের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে শুরু করেছেন এনআইএর আধিকারিকেরা।

মূলত রোহিঙ্গাদের নাশকতার কাজে বিভিন্ন জেলায় পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল আল-কায়েদা জঙ্গীদের। তাদেরকে দিয়ে নাশকতার কাজ করলে তারা কোন সংগঠনের তা বোঝা মুশকিল ছিল। যার সুযোগ নিতে চেয়েছিল এই আলকায়দা জঙ্গিরা। অর্থের লোভ দেখানোয় বহু রোহিঙ্গা আল-কায়েদা শিবিরে যোগ দিতে শুরু করেছিল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!