এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নেই দেওয়াল লিখন, প্রচার – অবস্থা দেখে চোখ কপালে খোদ শাসকদলের

নেই দেওয়াল লিখন, প্রচার – অবস্থা দেখে চোখ কপালে খোদ শাসকদলের



পূর্ব মেদিনীপুরের সুতাহাটা ব্লক এলাকায় পঞ্চায়েত ভোটের আগেই দেখা মিলল অন্য নজিরের। ভোটের আর দু সপ্তাহ বাকি নেই,অথচ প্রচার, দেওয়াল লিখনের বালাই নেই টিএমসির। রাজনৈতিক সূত্র থেকে জানা খবর অনুযায়ী, গতবার এই এলাকা বামেদের থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিলো টিএমসি। এছাড়া ৮৯ টি আসনেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় নিশ্চিত করে ফলেছে ঘাসশিবির। তাই প্রশ্ন উঠেছে কম আসনে ভোট হচ্ছে বলেই কি ভোট প্রচারের উদ্যোগ নিচ্ছেন না টিএমসির স্থানীয়কর্তারা?
টিএমসির অন্দরের খবর বলছে, সুতাহাটা ব্লকের একটি জেলা পরিষদ আসনে তৃণমূল প্রার্থী আনন্দময় অধিকারী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হলেও অন্য আসনটিতে লড়াই হচ্ছে। সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী মিলন পাত্র এবং এসইউসি-র নারায়ণ প্রামাণিক। মনোনয়ন পেশের পরে বেশ কিছু দিন কেটে যাওয়া সত্ত্বেও টিএমসির প্রার্থী মিলন মণ্ডলের সমর্থনে এখনও প্রচারই শুরু হয়নি,এমনকি দেওয়াল লিখন থেকে ফ্লেক্স, ব্যানার- কিছুই নজরে এল না। এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হলে,তৃনমূল নেতৃত্বরা রবিবার চৈতন্যপুরে বৈঠকে বসেছেন। সেখানে দলের ব্লক সভাপতি অমিয়কুমার দাস নির্দেশ দিয়েছেন কর্মীদের, অবিলম্বে প্রচার শুরু করতে হবে। সব কর্মীদের দায়িত্বসহকারে দেওয়াল লিখন সারতে হবে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

জানা গেছে,সুতাহাটাতে কুকড়াহাটি, চৈতন্যপুর ও আশদতলিয়া অঞ্চল নিয়ে একটিমাত্র জেলা পরিষদ আসনে ভোট হচ্ছে। বেনজির দৃষ্টান্ত এটাই যে গোটা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থীর প্রচার হয়নি তেমন। বিরোধীরা আবার অভিযোগে জানিয়েছে,সন্ত্রাস ছড়িয়ে যে ভাবে ভোটের আগেই ভোট শেষ করে দেওয়া হয়েছে, তাতে তৃণমূলের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে। তাই একাংশ কর্মী-সমর্থক প্রচারে নামেইনি। সিপিএমের জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য শ্যামল মাইতির বক্তব্য”তৃণমূল সন্ত্রাস করে বিরোধীদের মনোনয়নটুকু দিতে দেয়নি। তার প্রতিবাদে প্রকৃত তৃণমূল কর্মীরা বসে যাচ্ছেন। ”বিজেপি-র জেলা সাধারণ সম্পাদক মানসকুমার রায়ও একই দিকে মাথা কাত করে বলেছেন ”মনোনয়ন পর্বে বিরোধীদের সঙ্গে যে আচরণ তৃণমূল করেছে, তা ওদের নিজের লোকেরাও মানতে পারেনি।” তৃণমূলপ্রার্থী মিলন পাত্র অবশ্য এ বক্তব্য অস্বীকার করে জানায় যে ”গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিতে দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যাওয়ায় কর্মীদের কিছুটা আত্মতুষ্টি ছিল। তা ছাড়া, আমার আসনটির জন্য আলাদা পরিকল্পনা নিয়েছেন নেতৃত্ব। তাই প্রচার শুরুতে একটু দেরি হচ্ছে।”

আজ থেকে প্রিয় বন্ধু বাংলার অফিসিয়াল ফেসবুক আইডি হল – Priyo Bandhu Bengali

আমাদের সব খবর, সমস্ত আপডেট পাওয়া যাবে এখানেই – https://www.facebook.com/pbmediaofficial/

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!