এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে তৃণমূলের কঠিন ‘শাস্তির’ মুখে পড়তে হবে ‘বিদ্রোহীদের’

মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে তৃণমূলের কঠিন ‘শাস্তির’ মুখে পড়তে হবে ‘বিদ্রোহীদের’



এদিন বর্ধমান জেলার সংস্কৃতি লোকমঞ্চের অ্যানেক্স হলে দলের বিধায়ক ও বিধানসভা ভিত্তিক পর্যবেক্ষকদের নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিলো। এদিনের বৈঠক দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকে। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের পূর্বে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় প্রতীক বিতরনের মাধ্যমে প্রার্থী মনোনয়নের প্রথম পর্যায়ের কাজ সম্পাদন করা হয় এদিনের বৈঠকে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা সভাপতি তথা রাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবু টুডু প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ জানালেন, এদিন প্রতিটি বিধানসভা ভিত্তিক পর্যবেক্ষকদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী দুদিনের মধ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের অনুমোদন প্রাপ্ত প্রার্থীদের এই প্রতীক তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

উল্লেখ্য আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বর্ধমান জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার হিসেব থেকে জানতে পারা যাচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ৩২৩৪ টি আসনের মধ্যে ৪০০৩ টি আসনে, পঞ্চায়েত সমিতির ৬১৮ টি আসনের মধ্যে ৭৬৫ টি আসনে এবং জেলা পরিষদের ৫৮টি আসনের মধ্যে ৬৬ টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে শাসকদলের প্রার্থীরা। স্বপনবাবু বলেন এই তালিকার মধ্যে যাঁরা দলীয় মনোনয়নের স্বীকৃতি স্বরূপ দলীয় প্রতীক পেলেন না তাঁরা নিজেদের মনণয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন। কিন্তু কেউ তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে না চান তাহলে দল তাঁর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এই নির্বাচনে দলীয় প্রচার কার্যের জন্যে আকারে বড় সভা সমিতির আয়োজন না করে জেলার শাসকদলের প্রতিনিধিরা গ্রামীণ চাটাই বৈঠক এবং বাড়ি বাড়ি সম্পর্ক স্থাপনের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। রাজ্য সরকারের উন্নয়নের পরিকল্পনাকে মাথায় রেখেই এমন কৌশল গ্রহণ বলে জানান খোদ জেলা সভাপতি তথা রাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!