এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নির্দল প্রার্থীকে সাহায্য করছে পুলিশ, ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূল প্রার্থী

নির্দল প্রার্থীকে সাহায্য করছে পুলিশ, ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূল প্রার্থী



নির্দল প্রার্থীকে সাহায্য করছে পুলিশ, ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূল প্রার্থী। সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল জেলা সভাপতি অজিত মাইতির পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়াকেও লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করেন কেশপুর পঞ্চায়েত সমিতির ৪২ নম্বর আসনের তৃণমূল প্রার্থী তপন মাঝি। তাঁর অভিযোগ, কেশপুর থানার ওসি খন্দকার সৈফুদ্দিন আহমেদ নির্দল প্রার্থীর হয়ে কাজ করছেন। তপনবাবুর বিরোধী হিসাবে নির্দলের হয়ে দাঁড়াচ্ছেন সফিউল আলম এবং শেখ ইয়াকুব আলি। জানা গেছে, এরা তৃণমূলের প্রতীক না পাওয়ায় নির্দলে নাম লিখেছেন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এই দুজন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সভাপতি সঞ্জয় পানের অনুগামী। প্রসঙ্গত,কেশপুরে তৃণমূল বনাম বিক্ষুব্ধের লড়াই হচ্ছে ২৩০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের আসনের মধ্যে ৫৪টিতে এবং পঞ্চায়েত সমিতির ৪৫টি আসনের মধ্যে ২২টি আসনে। এদিন তপনবাবু অভিযোগ সহকারে বলেন, ”ওসি ইয়াকুবকে জেতানোর চেষ্টা করছেন। প্রচারটুকু করতে পারছি না।” তাঁর কথায়, “কেশপুরের ওসি পঞ্চায়েতে আমার প্রার্থিপদ নিয়ে প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছিলেন। বিরুদ্ধে ছিলেন সঞ্জয়ও।” তিনি আরও বলেন, “তোলাবাজি, দুর্নীতির প্রতিবাদ করতাম। তাই আমার উপর রাগ।” যদিও তিনি তাঁর অভিযোগ পত্রে করোও নাম উল্লেখ করেননি। তপনবাবুর এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, “ওসি প্রচার করতে দেওয়া, না দেওয়ার কে? ওসি কি দল চালাবেন? দলের ব্লক সভাপতিকে বলে দিয়েছি, এ সব বরদাস্ত করব না। প্রতীক যিনি পেয়েছেন, তিনিই দলের প্রার্থী। তাঁর হয়ে প্রচারের কথা ব্লক সভাপতিকেও বলেছি।” অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে পুলিশ। এদিকে এই অভিযোগের পাল্টা জবাবে সঞ্জয় বাবু জানান, ”ওই প্রার্থীর সঙ্গে এলাকার মানুষ নেই। সেটাই সমস্যা। এর সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক নেই।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!