এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মানা হচ্ছে না মোদী-শাহের মতও, নির্বাচনের মুখে কার্যত বিদ্রোহের মুখে গেরুয়া-শিবির

মানা হচ্ছে না মোদী-শাহের মতও, নির্বাচনের মুখে কার্যত বিদ্রোহের মুখে গেরুয়া-শিবির



রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে’র অসম্মতির কারণে রাজস্থান রাজ্যের বিজেপি দলের রাজ্য শাখার সভাপতি পদে মনোনীত হতে পারলেননা গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত। জানা গিয়েছে রাজস্থানে প্রাক বিধানসভা নির্বাচন পর্বে দলকে সবল এবং সুষ্ঠ ভাবে পরিচালনার জন্যে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অশোক পরনামির বদলে শেখাওয়াতকেই মনোনীত করেছিলেন। কিন্তু বিগিত চার বছরে প্রথম বারের জন্যে দলের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে মোদি-শাহের মত গ্রাহ্য হলোনা। মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সঙ্ঘ-ঘনিষ্ঠ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গাডকরির সাহায্যে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের কাছে দলের আভ্যন্তরীন বিষয়ে অনুযোগ করে বলেছিলেন নিজের ক্ষমতা দেখাতে গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতকে বেছে নিয়েছেন অমিত শাহ। শেখওয়াতের নিয়োগের বিপক্ষে মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি , একজন রাজপুতকে রাজ্য সভাপতির পদে মনোনীত করলে জাঠেরা দল বিরোধী হয়ে উঠবে। দলিতেরাও অসন্তুষ্ট হবে। একইসাথে ২০১৪ সালেই প্রথমবার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হওয়া শেখাওয়াত রাজ্যে নেতা হিসেবে তেমন জনপ্রিয় ও নন। শুধুমাত্র মোদি-শাহের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই গজেন্দ্র সিং শেখায়ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনার পরে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত তলব করেন অমিত শাহ কে। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নীতীন গাডকরি ও। সেখানে অমিত শাহ , গঞ্জেন্দ্র সিং শেখায়ত কে রাজ্য শাখার সভাপতি হিসেবে মনোনীত করার কারণ স্বরূপ নিজের যুক্তি পেশ করেন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

কিন্তু এদিন সঙ্ঘ-প্রধান মোহন ভাগবত, অমিত শাহের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি । জানা গেছে, অসন্তুষ্ট ভাগবত্‍ এই নিয়োগ কার্য আপাতত স্থগিত রাখতে নির্দেশ দেন। তবে শেখাওয়াতের জায়গায় কাকে রাজ্য সভাপতি করা হবে, শাহ সেই প্রশ্ন করলে আরএসএস প্রধান জানিয়ে দেন, সকলের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে সঙ্ঘ প্রধানের এমন নির্দেশের পর বসুন্ধরা রাজে এবং অমিত শাহের সম্পর্কে যে চাপানউতোর তৈরী হয়েছে তা আলাদা করে বলে দেওয়ার দরকার পড়ে না। এই কারণেই বিভিন্ন রাজ্যে দলের মুখ্যমন্ত্রীরা কর্ণাটক বিধান সভা নির্বাচনে দলীয় প্রচারে অংশ নিলেও সেখানে বসুন্ধঅরা রাজে’র নাম অন্তর্ভূক্ত নেই। এই প্রসঙ্গে অমিত শাহের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দল সভাপতিকে এড়িয়ে সরাসরি সঙ্ঘ-প্রধানের কাছে দরবার করে বসুন্ধরা দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন। তবে অমিত শাহ এখনই বসুন্ধরা রাজে’র বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার অবস্থায় নেই। কারণ মুখ্যমন্ত্রী বিরুদ্ধে দলের শীর্ষ নেতারা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করলে সেটা রাজস্থানে বিজেপি দলে বিভাজন সৃষ্টি করবে এইরকম আশঙ্কা রয়েছে। ‌

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!