এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > কেন্দ্রের “অতি সক্রিয়তা” নিয়ে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী এবার বৃহত্তর প্রতিবাদ-আন্দোলনের পথে

কেন্দ্রের “অতি সক্রিয়তা” নিয়ে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী এবার বৃহত্তর প্রতিবাদ-আন্দোলনের পথে



2014 সালে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নোট বাতিল থেকে জিএসটি – একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে রাস্তায় নেমেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এমনকি আধার ও ব্যাংকের বইয়ের সঙ্গে মোবাইল নম্বরের সংযুক্তিকরণ নিয়েও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কটাক্ষ শানাতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শাসকদলকে।

পাশাপাশি নেট দুনিয়ায় কেন্দ্রের নজরদারি নিয়ম সরব হয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের সেই নেট নজরদারি ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হলেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, বিভিন্ন মহল থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে যে বাড়াতে একটি নতুন আইন করতে চলেছে দেশের কেন্দ্রীয় সরকার। আর এতেই প্রবল ক্ষুব্ধ হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন সেই প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় গেরুয়া শিবিরের উদ্দেশ্যে সুর চড়িয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, “হঠাৎ করে ইন্টারনেটের নিয়ন্ত্রণ করতে কেন্দ্রীয় সরকারের অতিমাত্রার আগ্রহ নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। শুনতে পাচ্ছি তাঁরা নতুন আইন তৈরি করছে। আর এতেই বোঝা যাচ্ছে যে, ওদের ভ্রান্ত নীতির সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণের যে বার্তা আসছে, তাতেই ওনারা ভয় পেয়েছেন।”

আর এইখানেই তৃণমূল নেত্রীর আরও প্রশ্ন, যে বিজেপি 2014 সালে সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর ভর করেই ক্ষমতায় এসেছিল, ক্ষমতায় আসার পর সেই নেট দুনিয়ায় কেন আড়ি পাতছেন তাঁরা? আর এইখানেই কেন্দ্রীয় সরকার ভীত সন্ত্রস্ত হয়েছেন বলে কটাক্ষ করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। লোকসভা নির্বাচনের আগে সোশাল মিডিয়ায় ওপর কেন্দ্রের এহেন নজরদারিকে “বাকস্বাধীনতা হরণ” বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

 


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

একইসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সকল বিরোধী দলকে এককাট্টা হওয়ারও আবেদন জানান। পরে এদিন সন্ধ্যায় নবান্ন ছাড়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একটা খবর পেয়েছি। ওরা নেট নজরদারিতে আইন বদলাতে চাইছে। কিন্তু ভারতের গণতন্ত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণের অধিকারের ওপর আমরা সেন্সরশিপ চালাতে দিতে পারি না।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সামনেই লোকসভা ভোট। আর সেই লোকসভা ভোটের আগে বিরোধী জোটকে এককাট্টা করতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার বিজেপির বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করবার জন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে কেন্দ্রের নজরদারি ইস্যুতে তীব্র প্রতিবাদে নামার ইঙ্গিত দিলেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!