এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > গভীর রাতে পুলিশি হানায় আটক বহু বিজেপি নেতা, মনোনয়ন আটকাতেই কি – উঠছে প্রশ্ন

গভীর রাতে পুলিশি হানায় আটক বহু বিজেপি নেতা, মনোনয়ন আটকাতেই কি – উঠছে প্রশ্ন



গভীর রাতে পুলিশি হানায় আটক বহু বিজেপি নেতা, মনোনয়ন আটকাতেই কি – উঠছে প্রশ্ন ?হঠাৎই মধ্যরাতে হুগলিতে পুলিশি ধরপাকড় চালালো পুলিশ। এদিন রাত ২ টো নাগাদ হঠাৎই বিজেপির ওবিসি মোর্চার সভাপতি স্বপন পাল সহ আরো কয়েকজন বিজেপি নেতার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে তাঁদের তুলে নিয়ে যায় চুঁচুড়া থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশের বক্তব্ব্য রামনবমীর দিন অস্ত্র মিছিল করার দায়ে বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি স্বপন পাল-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু স্বপনবাবুকেই নয় আরো ২৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিকে বিজেপি সম্পাদক সুরেশ সাউ অভিযোগ সহকারে জানান, “গভীর রাতে স্বপন পাল সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতার বাড়িতে আচমকা অভিযান চালায় চুঁচুড়া থানার পুলিশ।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

সেই সময় কোনও কারণ না দেখিয়েই তাদের তুলে নিয়ে যায় তাঁরা। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন অনন্ত পাল নামক এক নেতা। যার এদিন পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। ওই এলাকারই এক অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যকেও বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ।” এই বিষয়ে প্রশ্ন করার উদ্যেশ্যে চুঁচুড়া থানায় ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে সেই সময়ের কর্তব্যরত অফিসার জানান, “আমি এখন থানায় আছি। বাইরে অনেক জায়গায় অভিযান চলছে। কাদের ঠিক কী কারণে গ্রেফতার বা আটক করা হয়েছে তা বলতে পারব না।” অন্যদিকে বিজেপি জেলা সভাপতি সুবীর নাগের অভিযোগ, “রাতের অন্ধকারে কোনও কাগজপত্র না দেখিয়ে জোর করে নেতা, কর্মীদের তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চুঁচুড়া থেকে গতকাল ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আবার সিভিকদের RAF সাজিয়ে আমাদের উপর জোরজুলুম চালাচ্ছে। এগুলো কোনওভাবে বরদাস্ত করা যায় না। আসলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে অস্ত্র আইনে কেস দিয়ে আমাদের দমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এর পিছনে শাসকদলের চক্রান্ত কাজ করছে।”পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৫৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়ে গিয়েছে আর বাকি ছিল মাত্র কয়েক জন। তার মধ্যেই এমন একটি বিপত্তি ঘটে গেলো হুগলি জেলার বিজেপি শিবিরে বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!