এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > অবিশ্বাস্য! মহানাটকীয়! রাজস্থান-পাঞ্জাব ম্যাচে ক্রিকেট পৌঁছালো অন্য উচ্চতায়! লোমহর্ষক IPL!

অবিশ্বাস্য! মহানাটকীয়! রাজস্থান-পাঞ্জাব ম্যাচে ক্রিকেট পৌঁছালো অন্য উচ্চতায়! লোমহর্ষক IPL!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- কিভাবে হারা বাজি জিততে হয়, তা হয়তো কালকে বুঝিয়ে দিল রাজস্থান রয়েলস। ঊর্ধ্বশ্বাস এই ম্যাচের ভবিষ্যতে কি হতে চলেছে তা হয়তো খেলা শেষের আগেও সমর্থকরা বুঝতে পারেননি। এদিন পঞ্জাবের ২২৩ রান তাড়া করতে নেমে ১৫ ওভারে রাজস্থানের রান ছিল ২ উইকেটে মাত্র ১৪০। জেতার জন্য ৩০ বলে দরকার ছিল ৮৪ রান। এরপরই পাল্টা মারের দিকে তাক করে রাজস্থান দল। স্টিভ স্মিথের দলের ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিংয়ে রান আটকানোর পরিবর্তে একগাদা রান দিয়ে রাজস্থানের জয়ের রাস্তা প্রশস্ত করে দেন বোলাররা।

অতীতের মতোই এ দিনও মারের জন্য চলতে থাকে সঞ্জুর ব্যাট। ম্যাচের সেরাও হন তিনি। কিন্তু এই ম্যাচের গেম চেঞ্জার হিসেবে উঠে এসেছে রাহুল তেওয়াটিয়ার নাম। যেখানে আগে ১৯ বলে ৮ রানে ছিলেন তিনি, সেখানে তাঁকে আগে ব্যাট করতে পাঠানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা শুরু হয়। চাপ ক্রমশ বাড়ছিল তাঁর উপরে। তবে এদিন তেওয়াটিয়া ক্যারিবিয়ান পেসার শেলডন কটরেলের ১৮ তম ওভারে পাঁচটা ছয় মেরে ৩০ রান তোলেন। আর তাতেই ঘুরে যায় ম্যাচ। জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করে রাজস্থান সমর্থকরা।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এরপর বাকি শেষ ২ ওভারে রাজস্থানের দরকার ছিল ২১ রান। অন্যদিকে লোকেশ রাহুলের পর বল করেতে আসেন মহম্মদ শামি। দারুণ ইয়র্কার দিতে ওস্তাদ এই পেসার। তবে এ দিন কিন্তু ইয়র্কারের বদলে লেন্থ বল ফেলতে দেখা যায় তাঁকে। আর সেই সুযোগটাই দরকার ছিল। সেই ওভারে ১৯ রান নেয় রাজস্থান। যদিও শামি রাজস্থানের দুই ব্যাটসম্যান রবিন উথাপ্পা ও তেওয়াটিয়াকে ঘরে ফেরান। তবুও ততক্ষণে ম্যাচ যে বেরিয়ে গেছে পঞ্জাবের হাত থেকে, সেটা সবাই বুঝতে পারছেন। শেষ ওভারে মুরুগান অশ্বিনের বলে রিয়ান পরাগ আউট হলেও তিন বল বাকি থাকতে চার উইকেটে ম্যাচ জেতে স্মিথের দল।

রবিবার ময়ঙ্ক মাত্র ৫০ বলে ১০৬ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেললেন। মোড় ঘোরানো এই তারকা মারলেন ১০টি চার ও ৭টি ছয়। অন্যদিকে অধিনায়ক লোকেশ রাহুলও ৫৪ বলে ৬৯ রানে যোগ্য সঙ্গত করেন। ওপেনিং পার্টনারশিপে ময়ঙ্ক ও রাহুল করেন ১৮৩ রান। অল্পের জন্য ভাঙতে পারলেন না ডেভিড ওয়ার্নার ও জনি বেয়ারস্টোর রেকর্ড। টম কারেনের বলে ময়ঙ্ক আউট হয়ে যাওয়ায় ওয়ার্নার-বেয়ারস্টোর একটুর জন্য বেঁচে যায়।

এদিন শুরু থেকেই ময়ঙ্ক ও রাহুল মারকাটারি মনোভাব নিয়ে নামেন। একটা সময়ে দুই ওপেনারকেই প্রায় একই গতিতে রান তুলতে দেখা যায়। কিন্তু খেলা যত গড়াতে থাকে ময়ঙ্ক ছাপিয়ে যান রাহুলকে। পঞ্জাব অধিনায়কও তখন ময়ঙ্ককে স্ট্রাইক দিচ্ছিলেন। আর সেই সময় কোন লেন্থে ময়ঙ্ককে বল করবেন সেটাই বুঝে উঠতে পারছিলেন না জয়দেব উনাদকাট, টম কারেন, জোফ্রা আর্চাররা। এদিন ২৬ বলে ময়ঙ্ক করেন ৫৪ রান। তবে তাই নয়, সেঞ্চুরি করেন ৪৫ বলে। প্রতিটি শটে ছিল ক্রিকেট। তবে সবশেষে বলা যায়, এর থেকে উপভোগ্য ম্যাচ বোধ হয় আইপিএলে এর আগে হয়নি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!