এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দলের রাশ টানতে অভিষেক নয়, এনার মধ্যেই দ্বিতীয় মমতাকে দেখছেন তৃনমূলের কর্মী-সমর্থকরা

দলের রাশ টানতে অভিষেক নয়, এনার মধ্যেই দ্বিতীয় মমতাকে দেখছেন তৃনমূলের কর্মী-সমর্থকরা



এতদিন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে পরিচিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর তিনিই দলে দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন বলে দাবি করতেন একাংশ। কিন্তু বর্তমানে অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল বাংলায় খুব একটা ভালো ফল করেনি।

42 এ 42 এর স্লোগান দেওয়া তৃণমূল নেত্রীর স্বপ্নকে ভেঙে দিয়ে এবারের ভোটে মোটে 22 টি আসন নিজেদের ঝুলিতে পুরতে সক্ষম হয়েছে শাসক দল।প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল অভিষেককে নিয়েও। আর এহেন পরিস্থিতিতে অভিষেককে সরিয়ে নেত্রীকে ও শুভেন্দু অধিকারীকে দলের সঙ্গতনকে চাঙ্গা করতে এগিয়ে আসার জন্যও সোশ্যাল মিডিয়ায় সওয়াল করতে দেখে গিয়েছিলো তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের তরফ থেকে। আর পাশাপাশি প্রশ্নও উঠেছিল তাহলে মমতার পর কে আসছেন দলের হাল ধরতে। কর্মী সমর্থকরা চাইছিলেন শুভেন্দুকে। আর এবার তাঁর সাথে যুক্ত হলো নতুন এক নাম। আর তাঁর মধ্যেই এখন নতুন আর এক মমতাকে দেখছেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। ভাবছেন কার কথা হচ্ছে ?তিনি দলেরই এক সাংসদ।

অন্যদিকে সংসদে তৃণমূলের 22 জন সাংসদের মধ্যে কে প্রধান ব্যাটিং করবেন তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। আর সেই সমস্ত জল্পনাকে অবসান করে সংসদে প্রথমবার মুখ খুলে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কার্যত ঝড় তুলতে দেখা গেল কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। সুবক্তা হিসেবে বরাবরই পরিচিত মহুয়া মৈত্র এদিন সংসদে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে শুধু দলের অন্যান্য সাংসদেরই নয়, দলের নেতাকর্মীদেরও মন কেড়ে নিয়েছেন বলে দাবি একাংশের।

আর এখানেই একাংশ প্রশ্ন করতে শুরু করেছেন, তাহলে কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বদলে এবার মহুয়া মৈত্রকেই সংসদীয় লড়াইয়ে সামনে আনতে চাইছে তৃণমূল! একাংশের দাবি, গত 2014 সালে নির্বাচনে জয়লাভ করার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন সংসদে প্রথম বক্তব্য রাখতে উঠেছিলেন, তখন তাকে একাধিকবার হোঁচট খেতে হয়েছিল। কোনরকমে কাগজ দেখে নিজের বক্তব্য পেশ করেছিলেন তিনি। যা সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। আর এরপরই তৃণমূলের তরফে একাংশ প্রশ্ন করতে শুরু করেন, সংসদের মতো জায়গায় এইভাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হোঁচট খাওয়া আদতে দলেরই বিড়ম্বনা।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

কিন্তু এবার 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনের পর সংসদের অধিবেশন শুরু হলে তৃণমূলের তরফে বক্তব্য রাখতে উঠে কার্যত বিজেপিকে প্রবল চাপে ফেলে দিয়ে ঝড় তুলতে দেখা গেল কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। যার জেরে তৃনমূলের একাংশ ইতিমধ্যেই দাবি করতে শুরু করেছে যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো হয়েও যে কাজটি করতে পারেনি, তা কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সংসদে সরব হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই স্বরুপ তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন মহুয়া মৈত্র। আর তাই তো তার মধ্যেই দ্বিতীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।এই নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক পোস্ট শেয়ার হচ্ছে মহুয়া মৈত্রর প্রশংসায়। আর তার সাথেই এই দাবি চলেছে যে তিনিই হলেন আগামীদিনের মমতা।

 

সমালোচক মহলের একাংশ বলছেন, এবার থেকে সংসদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অপেক্ষা মহুয়া মৈত্রকেই ব্যাটিং করার জন্য এগিয়ে দেবেন তৃণমূল নেত্রী। কেননা সুবক্তা হিসেবে পরিচিত মহুয়াদেবী প্রথম দিনেই যেভাবে স্পষ্ট ভাষায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হয়েছেন, তাতে সংসদে বিরোধী দলগুলোর অনেকটাই সমর্থন তিনি পেয়েছেন।

আর তাই ভবিষ্যতে পথ চলতে এহেন মহুয়া মৈত্রর মত নেত্রীকেই যে দরকার, তা বুঝতে বাকি নেই তৃণমূলের কারোরই। ফলে এক দিক থেকে এবার যে দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অপেক্ষা দ্বিতীয় মমতা হিসেবে উঠে আসা মহুয়া মৈত্রর গুরুত্ব যে অনেকটাই বাড়তে চলেছে, সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত তৃনমূলের কর্মী সমর্থকরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!