এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > অভিনন্দন যাত্রা করতে গিয়ে হামলার শিকার বিজেপি সাংসদ, জোর শোরগোল !

অভিনন্দন যাত্রা করতে গিয়ে হামলার শিকার বিজেপি সাংসদ, জোর শোরগোল !



লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি 18 টি আসন পাওয়ার পর থেকেই মূল লড়াই তৃণমূল বনাম বিজেপির মধ্যে তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন জায়গায় কখনও বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল, আবার কখনও বা তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপি সংঘর্ষের অভিযোগ তুলেছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে মাঝেমধ্যেই বঙ্গবাসীকে এই দুই রাজনৈতিক দলের তরজা লক্ষ্য করতে হচ্ছিল। আর এবার পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে শান্ত জেলা হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ দিনাজপুরের রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা খবরের শিরোনামে চলে এল।

সূত্রের খবর, এবার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের সমর্থনে বিজেপির অভিনন্দন যাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ বিধানসভার ডাঙ্গারহাট এলাকা। প্রসঙ্গত, এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই তার চরম বিরোধিতা করে আসছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এবার এই আইনের সমর্থনে পাল্টা প্রচার করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

আর তারই অঙ্গ হিসেবে এদিন ডাঙ্গারহাট এলাকায় বিজেপির তরফে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি সাংসদ সহ বেশ কিছু নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায়। আর যে ঘটনা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। প্রবল চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় আক্রান্ত বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা কর্মীকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিকে এই ঘটনার পরেই দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে জেলা পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে ধর্নায় বসতে দেখা যায় বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে। আর বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের ওপর এভাবে হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই গেরুয়া শিবিরের তরফে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

এদিন এই প্রসঙ্গে বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “অর্পিতা ঘোষের নেতৃত্বে তৃণমূলের দুষ্কৃতী বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা পুলিশকে করতে হবে।” অন্যদিকে এই ব্যাপারে বিজেপি করা অভিযোগকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন এই প্রসঙ্গে কুমারগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডল বলেন, “হামলাকারীদের সঙ্গে তৃণমূলের কোনো যোগ নেই। দোষীরা শাস্তি পাক, আমরা সেই দাবিই জানাব।”

কিন্তু তৃণমূল যে কথাই বলুন না কেন, বিজেপি সাংসদের ওপর হামলার ঘটনায় যেভাবে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হল, তাতে কোন পথে এগোয় জেলা রাজনীতি! এখন সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!