এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া > অভাব- অভিযোগ শুনতে কোরোনাকে উড়িয়ে নয়া পন্থা রাজ্যের মন্ত্রীর, জেনে নিন

অভাব- অভিযোগ শুনতে কোরোনাকে উড়িয়ে নয়া পন্থা রাজ্যের মন্ত্রীর, জেনে নিন



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – ভোট এসে গেছে তাই প্রস্তুতিও চলছে জোর কদমে। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনতে নেতা মন্ত্রীদের নানারকম কর্মসূচির কথা সামনে এসেছে। তবে সম্প্রতি সেই জায়গায় একটি নতুন পন্থা অবলম্বন করতে দেখা গেছে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতোকে। যা নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ করতেও দেখা গেছে।

বস্তুত জাতীয় সড়কের একেবারে পাশেই প্যান্ডেল খাটিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার এই অভিনব পন্থাতেই বিরোধীদের কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে সেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই সম্প্রতি এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে উদ্যোগ নিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী। তথ্যসূত্র জানা গেছে ৩২ নম্বর জাতীয় সড়কের পুরুলিয়া শহরের সার্কিট হাউসের বিপরীত দিকে রাস্তার পাশে প্যান্ডেল খাটিয়ে এমন অভিনব পন্থা নিয়েছেন মন্ত্রী।

করোনা পরিস্থিতিতে মন্ত্রীকে সার্কিট হাউসে থাকতেই বলা হয়েছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষের সেখানে আসা ততটা সহজ নয়। নেতা মন্ত্রীদের নিরাপত্তা পেরিয়ে উপরন্তু করোনা সতর্কতা মান্য করে সার্কিট হাউসে ঢুকতে যথেষ্ট কাঠ-খড় পোড়াতে হত স্থানীয় মানুষদের। তাই তাদের সুবিধার্থেই এমন পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে মন্ত্রীকে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

শুধু তাই নয়, সেখান থেকেই প্রয়োজনে সমস্যা সমাধানের জন্য প্রশাসনের আধিকারিকদের নির্দেশ দিতে দেখা গেছে তাঁকে। স্থানীয় কিছু মানুষের মতে, সার্কিট হাউসে মন্ত্রীর অফিসে দেখা করা সম্ভব ছিল না। সুতরাং অভিনব এই ব্যবস্থায় স্বভাবতই তাদের যে অনেকটা সুবিধে হয়েছে সে কথাই শোনা যাচ্ছে তাদের মুখে।

অন্যদিকে তথ্য সূত্রে জানা গেছে, দলের জেলা সভাপতি পরিবর্তনের পরই তৃণমূলের পুরুলিয়া জেলা কার্যালয়ের স্থান পরিবর্তন হয়। নতুন কার্যালয়ে জেলা সভাপতি এবং জেলা যুব সভাপতির আলাদা অফিস করা হয়। সেখানে সাধারণ মানুষ অনেক বিধিনিষেধের বাধায় আটকে পড়ে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নেতা-মন্ত্রীদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আর সেই সমস্যা দূর করতেই এমন অভিনব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে মন্ত্রী তথা বলরামপুরের বিধায়ক এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। বিজেপি পুরুলিয়া জেলার সাধারণ সম্পাদক বিবেক রাঙ্গার মতে, সবই হচ্ছে যেহেতু ভোট এসে গেছে। তাই মন্ত্রীদের প্রয়োজন পড়েছে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার। আর লোক দেখাতেই তাই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। যদিও উন্নয়নমন্ত্রীর তরফ থেকে এই অভিযোগ ঠিক নয় বলে জানানো হয়েছে, তবুও ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি নতুন কি মোড় নেয়, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!