এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > একনজরে- কে কে রয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা পরিষদের সভাধিপতির দৌড়ে

একনজরে- কে কে রয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা পরিষদের সভাধিপতির দৌড়ে



পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধী শূন্য হলো দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ। ভোটের ফলাফল শেষ আর এবার তাই জেলা পরিষদ গঠন করার পালা। জানা গেছে যে জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদটি এবার তপশিলি উপজাতি(এসসি) হয়েছে। এদিকে সভাধিপতি হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন তৃণমূলের জয়ী চার মহিলা প্রার্থী। আর সেই নিয়েই জেলা জুড়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে কে হচ্ছেন সভাধিপতি তাই নিয়ে। যদিও এই বিষয়ে এখনই জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব সংবাদ মাধ্যমের সামনে কিছু বলতে চাননি। ১৭ মে একরকম ফলাফল সমানে চলে আসে। কার দখলে যাচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ বিরোধী শূন্য করে একক ভাবে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। জেলার আটটি পঞ্চায়েত সমিতিও দখল করেছে তৃণমূল। এছাড়াও ৬৪ গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ৪১ টি গ্রাম পঞ্চায়েত ইতিমধ্যে তাদের হাতে চলে এসেছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

সূত্রের খবর, এবারে জেলা পরিষদ আসনের জন্য দৌড়ে রয়েছে চার জয়ী মহিলা প্রার্থী। কুশমণ্ডির মিঠু জোয়াদ্দার, গঙ্গারামপুরের লিপিকা রায়, কুমারগঞ্জের ইরা রায় ও হিলির গৌরী মালি। এদের মধ্যে কিছুটা হলে অভিজ্ঞতায় এগিয়ে রয়েছে গঙ্গারামপুর জেলা পরিষদ আসনের বিজয় প্রার্থী লিপিকা রায়। ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি তৃণমূল সমর্থক এবং গঙ্গারামপুরের শুকদেবপুর, জাগাঙ্গিরপুর এলাকার সক্রিয় নেত্রী তিনি। এছাড়াও এবারের নির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি।কুশমণ্ডির মিঠু জোয়াদ্দার এর আগের বার কুশমণ্ডি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন। এলাকায় বেশ ভালো পরিচিতি ও প্রভাব রয়েছে এবং তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্রের কাছের বলেও পরিচিত। অভিজ্ঞ ও পুরোনোদের মধ্যে রয়েছেন কুমারগঞ্জের ইরা রায়। তিনি ২০০৮ সালে গ্রাম পঞ্চায়েত ও ২০১৩ তে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন। অন্য দিকে হিলির বিড়ি শ্রমিক নেত্রী হিসেবে পরিচিত গৌরি পাল। তিনিও সভাধিপতি হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন।অন্যদিকে সহকারি সভাধিপতি হওয়ার দৌড়ে রয়েছে বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির বিদায়ী সভাধিপতি বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা প্রবীর কুমার রায়, তপনের আমজাদ মণ্ডল ও কুমারগঞ্জের মফিজউদ্দিন মিয়াঁ।এদিকে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের এই মুহূর্তে ব্যস্ততা তুঙ্গে। গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি থেকে জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাকে করা হবে তা নিয়েই চলছে নিজেদের মধ্যে চলছে চুল চেরা বিশ্লেষণ। এখনই সেভাবে কিছু বলতে চাননি কেউ। সব দিক বিবেচনা করে জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি করা হবে বলে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র জানিয়েছেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!