এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > করোনা আবহে সংক্ষিপ্ত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে এবার মূল আকর্ষণ মমতার লেখা ও সুরের বিশেষ গান

করোনা আবহে সংক্ষিপ্ত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে এবার মূল আকর্ষণ মমতার লেখা ও সুরের বিশেষ গান



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই স্বাধীনতা দিবসের দিনটি আমাদের দেশের কাছে তথা দেশবাসীর কাছে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিন বলা যেতেই পারে।সেই সঙ্গে বিশেষ আনন্দলাভের দিনও এটি। আর এটাতো হবারই কথা কারণ প্রায় দুশতাব্দী ব্যাপী ইংরেজদের নাগপাশের বাঁধনে থাকার পর অবশেষে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছে, সেটা তো আর ভুলবার নয়। তাই বিশেষ এই দিনে শুধুমাত্র দেশের রাজধানী দিল্লি নয় সমস্ত রাজ্যে চলে স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠান। তবে, এবার অর্থাৎ ২০২০ সালের স্বাধীনতা দিবস অনুষ্ঠানটি অন্যান্য বারের তুলনায় স্বভাবতই বেশ কিছুটা ভিন্ন হতে চলেছে।

কারণটা আর কিছুই নয়, মারণব্যাধি করোনা যে তার থাবা থেকে কিছুতেই ছাড়তে রাজি হচ্ছে না আমাদের দেশ তথা বিশ্বকে। আর করোনার কথা মাথায় রেখেই সামাজিক দূরত্ব সহ বেশ কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হচ্ছে সকলকে। আর এইসব স্বাস্থ্যবিধি মানতে গিয়েই এবারের দিল্লি স্বাধীনতা অনুষ্ঠান পরিবর্তন এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার প্রতিফলনই এবার আমরা রাজ্যের ক্ষেত্রেও দেখতে পাবো। আমাদের রাজ্যের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান পালনেও এসে গেলো বেশ কিছু পরিবর্তন বা নতুনত্ব। বলা যেতে পারে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান কিন্তু বেশ অনেকটাই আলাদা।

এবছরের অনুষ্ঠান খুবই সংক্ষিপ্ত ও অনাড়ম্বর। সংবাদসূত্রে জানা গেছে, এ বছরের স্বাধীনতা দিবস অনুষ্ঠানে করোনার যোদ্ধাদের বিশেষ সন্মান ও গুরুত্ব দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। কারণ যারা নিজেদের জীবনকে এভাবে বাজি রেখে দেশের ও সমাজের স্বার্থে এতটা বড় ঝুঁকি নিচ্ছেন, তাঁদের যদি সম্মান জানানো না হয় তাহলে হয়তো অকৃতজ্ঞতা হবে। সূত্রে জানা গেছে, এ বছরের স্বাধীনতা দিবসের দিন সকাল বেলায় রেড রোডে একটি অনাড়ম্বর কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হবে। আর সেই অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন করোনা যোদ্ধাকে সম্মান জানাতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে এদিন বিকেলে রাজভবনের বিশেষ একটি অনুষ্ঠানেও বেশ কিছু করোনা যোদ্ধাকে সম্মান জানাতে চলেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সংবাদসূত্রে জানা গেছে, এবছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের কুচকাওয়াজ হবে খুব সংক্ষিপ্ত আর সেখানেই প্রতীকী ভাবে বিশেষ সম্মান জ্ঞাপন করা হবে করোনা যোদ্ধাদের। এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন আর তারপরে রাজ্য পুলিশের একটি ছোট দল এই জাতীয় পতাকাকে সম্মান ও অভিবাদন জ্ঞাপন করবে। প্রসঙ্গত সমাজের করোনা সংক্রমণ রোধ করতে মাস্ক পরিধানের বিশেষ প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে এবার ট্যাবলো সাজানো হবে। অর্থাৎ এবারের ট্যাবলোতেও স্পষ্ট করোনার প্রভাব, এর সঙ্গেই পশ্চিমবাংলার কৃষ্টি সংস্কৃতি নিয়ে উপস্থিত থাকবে একটি ছোট বাউলের দল। সরকারি সূত্র থেকে জানানো হয়েছে, করোনা বিধির কারণেই এবছর স্বাধীনতা দিবসের সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান চলবে মাত্র পনেরো থেকে কুড়ি মিনিট ধরে।

প্রসঙ্গত, উক্ত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে করোনার যোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বিশেষ গান লিখেছেন। করোনা যোদ্ধাদের অবদান মনে করিয়ে দিয়ে তিনি লিখেছেন, “করোনা চলে যাবে, যাবেই এক দিন/ কোভিড যোদ্ধাদের মনে রেখো।” মুখ্যমন্ত্রীর রচিত, সুরারোপিত এই গানটি স্বাধীনতা দিবসের দিন অনুষ্ঠানস্থলে বাজানো হবে। অন্যদিকে এবারের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যপাল জাগদীপ ধনখড়ের এর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ইতিমধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে । তবে এদিনের রাজভবনেরর চা-চক্র অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী যোগ দেবেন কিনা সেটা অবশ্য তিনি স্পষ্ট করে এখনো জানাননি। এ প্রসঙ্গে নবান্ন থেকে জানানো হয়েছে, রাজভবনের অনুষ্ঠানে যোগদান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এখনো তেমন কোনো বার্তা দেননি।

তবে সংবাদসূত্র সূত্রের খবর, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর যোগদান বিষয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘ আলোচনা ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে।প্রসঙ্গত এবারের করোনা পরিস্থিতির মধ্যে রাজভবনের অনুষ্ঠানে জাতীয় যাতে অধিক জনসমাগম না হয় সেদিকে বিশেষ লক্ষ রাখতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এবারের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান কিভাবে অনুষ্ঠিত হবে? অনুষ্ঠান কতক্ষণ ধরে চলবে? এমনকি কোথায় এই অনুষ্ঠান হবে? এই সবকিছু রাজ্যপালকে বিবেচনা করে স্থির করার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। আর এই নির্দেশ পাওয়ার পরেই রাজ্যপাল জানিয়েছেন, সংখ্যা অত্যন্ত কম হল তিনি কিছু অভ্যাগতদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাবেন। সেইসঙ্গে এই অনুষ্ঠানে করোনা যোদ্ধাদের তিনি বিশেষভাবে সম্মানিত করবেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!