এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > ব্যাপক বেকায়দায় তৃণমূল, বড়সড় থাবা বসলো গেরুয়া শিবির!

ব্যাপক বেকায়দায় তৃণমূল, বড়সড় থাবা বসলো গেরুয়া শিবির!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বর্তমানে রাজ্য জুড়ে চলছে করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন করে লকডাউনের ঘোষণা করেছেন বলে জানা গেছে। কিন্তু লকডাউন চললেও পিছিয়ে নেই রাজনৈতিক কার্যকলাপ। 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, ততই বাংলার রাজনৈতিক মহলে শুরু হচ্ছে জোর তৎপরতা। এই অবস্থায় প্রতিটি রাজনৈতিক দল এই মুহূর্তে ঘর গোছানোর কাজে নেমেছে। তবে ঘর গোছানোর সাথে সাথেই চলছে অন্যের ঘরে ভাঙ্গন ধরানো।

আর এই খেলায় বর্তমানে অন্যদের থেকে এগিয়ে গেছে রাজ্যের দুই যুযুধান শিবির তৃণমূল এবং বিজেপি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে সম্প্রতি যেভাবে বিজেপি সহ অন্যান্য দল থেকে তৃণমূলে যোগদান করার হিড়িক লেগেছে, ঠিক সেরকমই বিজেপি শিবিরেও চলছে দলবদলের পালা। যেমন আজ হুগলির আরামবাগে তৃণমূলের এসসি, এসটি, ওবিসি সেল ও শ্রমিক সংগঠনে যেভাবে বিজেপি শিবির থাবা বসালো তা কিন্তু যথেষ্ট চিন্তায় ফেলবে তৃণমূল শিবিরকে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, আজ হরিপালে তৃণমূলের এসসি, এসটি, ওবিসি সেলের সভাপতি চন্দ্রনাথ দাস এবং শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি সভাপতি রমেশ মান্না যোগ দিলেন বিজেপি দলে। অন্যদিকে একই ভাবে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান এবং ছয়জন বুথ সভাপতি। অন্যদিকে জানা যাচ্ছে, হুগলির আরামবাগ থেকেও তৃণমূল ও সিপিএম ছেড়ে প্রায় 500 পরিবার যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। স্বাভাবিকভাবেই 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ব্যাপক দলবদল তৃণমূল শিবিরের দুঃশ্চিন্তা বাড়াবে বলে দাবী অনেকের।

অন্যদিকে শুধু তৃণমূল নয়, সিপিএম থেকেও যে বহুল পরিমাণে সদস্য বর্তমানে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করছেন সে কথা জানাচ্ছে রাজ্যের বিজেপি শিবির। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, শাসক শিবির থেকে যেভাবে ব্যাপক দলবদল হচ্ছে গেরুয়া শিবিরে তা যদি এখনই না থামানো যায় তাহলে 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনের লড়াই আরো বেশি কঠিন হয়ে পড়বে শাসক দলের কাছে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, সাংগঠনিক দুর্বলতা বরাবরই শাসক শিবিরে বর্তমান। তাই 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন জিততে গেলে এ দিকে লক্ষ্য রাখা এই মুহূর্তে শাসক দলের প্রধান দায়িত্ব বলে মনে করা হচ্ছে। আপাতত আগামী দিনের লড়াই যে সেয়ানে সেয়ানে হতে চলেছে, সে ব্যাপারে নিঃসন্দেহ রাজ্যের সব মহল।

আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!