এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > একুশে মমতার সব থেকে বড় কাঁটা কি পাহাড় আর জঙ্গলমহলই? ঘাসফুলের সাজানো বাগান আর কি থাকবে?

একুশে মমতার সব থেকে বড় কাঁটা কি পাহাড় আর জঙ্গলমহলই? ঘাসফুলের সাজানো বাগান আর কি থাকবে?



আপনাদের সুবিধার্থে খবরের শেষে বিধানসভা ২০২১ উপলক্ষে আমাদের করা সর্বশেষ সমীক্ষার প্রতিটির লিঙ্ক দেওয়া আছে।

আপনার মতামত জানান -

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –বিগত বাম সরকারের আমলে নিজেদের ক্ষমতার পথ প্রশস্ত করতে নির্বাচনী ইশতেহারে ক্ষমতায় এলে পাহাড় এবং জঙ্গলমহল শান্ত করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই মত করে মানুষ তাদের ওপর বিশ্বাস রেখে 2011 সালে রাজ্যে পরিবর্তনের পক্ষে সমর্থন দিয়েছিল। যার ফলে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম নজর দিয়েছিলেন এই পাহাড় এবং জঙ্গলমহলের দিকে।

এক দিকে জঙ্গলমহলের মাওবাদী উপদ্রব কমানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি, ঠিক তেমনই পাহাড়ে গিয়ে জিটিএ গঠন করে সকল পক্ষকে নিয়ে উন্নয়নের চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, ততই 2021 সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই পাহাড় এবং জঙ্গলমহল অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে। যার ফলে ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ছে শাসকদলের অলিন্দে।

 

পাহাড়ের রাজনীতিতে তৃণমূল নিজেদের অনেকটা গুছিয়ে নিলেও, এখন বিমল গুরুং এবং বিনয় তামাংয়ের গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোল আবার মাথাচাড়া দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কেননা দীর্ঘদিন বিমল গুরুং পাহাড়ের রাজনীতি থেকে দূরে সরে থাকলেও, সাম্প্রতিককালে আবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরার কথা জানিয়ে দিয়েছেন। আর তিনি যখন অতীতে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতা করেছিলেন, তখন পাহাড়কে শান্ত রাখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব দিয়েছিলেন বিনয় তামাংয়ের উপর।

স্বাভাবিকভাবেই এখন যদি বিমল গুরুংকে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সক্রিয় করার চেষ্টা করেন, তাহলে বিনয় তামাং তা কোনোভাবেই তা মানবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। আর এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যাম রাখবেন, নাকি কুল রাখবেন, সেটাই তার কাছে বড় চ্যালেঞ্জের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিনয় তামাং থেকে শুরু করে বিমল গুরুং কেউ কাউকে মানবেন না বলে জেহাদ ঘোষণা করেছে।

স্বাভাবিকভাবেই পাহাড়ে শান্তি রক্ষা করাই এখন তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই এই পরিস্থিতিতে যদি যে কোনো একটি গোষ্ঠীকে নিজেদের কাছে টানতে হয়, তাহলে আরেকটি গোষ্ঠী বড় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যার ফলে অশান্ত হয়ে যেতে পারে পাহাড়। তাই এখন সেই পাহাড় আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সব থেকে বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তবে পাহাড় সামলাতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বাড়তি চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে জঙ্গলমহল। কেননা ইতিমধ্যেই গত লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহলে বিজেপির ভোটব্যাংক অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। ছত্রধর মাহাতোর মত নেতাকে তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে পেলেও, শুভেন্দু অধিকারীর মত নেতা দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেছেন। কেননা লোকসভা নির্বাচনের পরবর্তী সময়কালে এই জঙ্গলমহল পুনরুদ্ধারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারীকে।

ইতিমধ্যেই শুভেন্দুবাবু মন্ত্রীপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মনে করা হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি তিনি দলত্যাগ করতে পারেন। আর যদি তা হয়, তাহলে জঙ্গলমহলে তৃণমূল কংগ্রেসের আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল করার জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়াবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কেননা শুভেন্দু অধিকারী জঙ্গলমহলের অনুগামী এবং কর্মী-সমর্থক রয়েছে শুভেন্দুবাবু যে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, তারাও সেই পথে হাঁটবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

তাই তৃণমূল কংগ্রেস যদি এখন শুভেন্দু অধিকারীর মান ভাঙানোর কাজটা ঠিকমত না করতে পারে, তাহলে জঙ্গলমহল আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তাদের কাছে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাভাবিকভাবেই 2011 সালে বাম সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পাহাড় এবং জঙ্গলমহলে শান্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন, 2021 সালের বিধানসভা নির্বাচনের দোরগোড়ায় সেই পাহাড় এবং জঙ্গলমহল সবথেকে বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল নেত্রীর কাছে। এখন এই জোড়া ফলা কিভাবে আটকাতে সক্ষম হন, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

 

একনজরে দেখে নিন আমাদের সর্বশেষ বিধানসভা ২০২১ ওপিনিয়ন পোল –

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – দ্বিতীয় পর্ব – 

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – প্রথম পর্ব – 

# মালদহ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# উত্তর দিনাজপুরে জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# জলপাইগুড়ি ও কালিম্পঙ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# কুচবিহার জেলার ওপিনিয়ন পোল –

আপনার মতামত জানান -
আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!