এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > ২০০ পারেও শান্তি নেই! অনুব্রতর খাসতালুকে দিশাহীন তৃণমূল! এল বড়সড় পরিবর্তন, উত্তাল রাজ্য

২০০ পারেও শান্তি নেই! অনুব্রতর খাসতালুকে দিশাহীন তৃণমূল! এল বড়সড় পরিবর্তন, উত্তাল রাজ্য



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – তিনি প্রথম স্লোগান তুলেছিলেন, খেলা হবে। যে কোনো নির্বাচনেই তার ডায়ালগ কার্যত খবরের শিরোনামে উঠে আসে। এমনকি ডায়লগের পাশাপাশি তিনিও খবরের শিরোনামে উঠে আসেন। এবারেও তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। তার নানা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে চর্চা যেমন হয়েছে, ঠিক তেমনই নির্বাচনের আগের দিন কমিশনের পক্ষ থেকে তাকে নজরবন্দি করা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিজের কথা রাখতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। জেলার বিপুল আসন দলকে উপহার দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল।

তবে একাধিক আসনে জয়লাভ করে তা নেত্রীর হাতে তুলে দিলেও যে বোলপুর শহর থেকে তিনি গোটা জেলার দল পরিচালনা করেন, সেই বোলপুর শহরের বেশিরভাগ ওয়ার্ডে বিজেপির থেকে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। যাকে কেন্দ্র করে নিজের খাসতালুকে কেন অনুব্রত মণ্ডল এভাবে পরাজিত হলেন, তা নিয়ে নানা মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।

ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে একাংশ। অনেকেই ভেতরে ভেতরে অনুব্রত মণ্ডলের নেতৃত্ব প্রদান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবথেকে বেশি আস্থাভাজন অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুকে এই ধরনের পরাজয় এখন চর্চার প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের কাছে।

বলা বাহুল্য, এবার বোলপুর শহরের 20 টি ওয়ার্ডের মধ্যে 14 টি ওয়ার্ডে এগিয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। অন্যদিকে 6 টি ওয়ার্ডে এগিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।আর তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে অনুব্রত মণ্ডলের নেতৃত্ব নিয়ে। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, বীরভূম জেলার সদর শহর হিসেবে ধরা হত সিউরিকে।

কিন্তু এখন অনুব্রত মণ্ডলের জন্য এখানকার সদর শহরের পরিচিতি লাভ করতে শুরু করেছে বোলপুর। খাতায়-কলমে তা না হলেও, যেভাবে অনুব্রত মণ্ডল এই বোলপুর থেকে গোটা জেলার দল পরিচালনা করেন, তাতে তৃণমূলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের শুরু করে সাধারণ মানুষদের একাংশ ধরেই নিয়েছেন, এই জেলার সদর শহর হতে চলেছে বোলপুর।

কিন্তু তৃণমূলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডল বোলপুর থেকে দল পরিচালনা করলেও, কেন এই শহরে তৃণমূলের এত করুণ অবস্থা! এখন সেটাই প্রধান প্রশ্নের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিকে নিজের গড়ে পরাজিত হওয়ার সাথে সাথেই বোলপুর পৌরসভার প্রশাসক বোর্ডে পরিবর্তন দেখা গেছে। যেখানে বোলপুর পৌর প্রশাসকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সুশান্ত ভকত।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে সেখানকার নতুন পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়েছেন পর্না ঘোষ। একাংশ বলছেন, সুশান্তবাবুকে সরিয়ে দিয়ে পর্নাদেবীকে দায়িত্বে আনার পেছনে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। নিজের খাসতালুকে পরাজিত হওয়ার কারণেই পৌর প্রশাসক পদে পরিবর্তন আনতে দেখা গেল তাকে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, তৃণমূল কংগ্রেস এবারের নির্বাচনে দু’শোর বেশি আসনে জয়লাভ করলেও, যে সমস্ত জায়গায় তারা পরাজিত হয়েছে, সেখানে কেন পরাজয় হল, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে দলের অন্দরে। আর সেই চর্চা করতে গিয়েই দেখা গেছে, বীরভূম জেলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অনুব্রত মণ্ডলকে সবথেকে বেশি ভরসা করেন, সেই অনুব্রত মণ্ডলের নিজের খাসতালুকে বেশিরভাগ জায়গায় রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

স্বাভাবিক ভাবেই সাংগঠনিক নেতা হিসেবে পরিচিত অনুব্রত মণ্ডল কেন বোলপুর শহরের দলকে এগিয়ে রাখতে পারলেন না, এখন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এদিকে বোলপুর শহরের বেশিরভাগ ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেস পিছিয়ে থাকার পরেই যেভাবে বোলপুর পৌর প্রশাসক পদে বদল আনা হল, তাতে অনুব্রত মণ্ডলের হাত রয়েছে বলেই মনে করছেন একাংশ। সব মিলিয়ে দক্ষ সাংগঠনিক নেতা হিসেবে পরিচিত অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে তৃণমূলের এই ফলাফল এখন নানা মহলে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!