এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > বিজেপিতে যোগ দিতেই প্রশাসনিকভাবে যে অবস্থা হল হেভিওয়েট তৃণমূল নেত্রীর, জানলে চমকে যাবেন

বিজেপিতে যোগ দিতেই প্রশাসনিকভাবে যে অবস্থা হল হেভিওয়েট তৃণমূল নেত্রীর, জানলে চমকে যাবেন

Priyo Bandhu Media


লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল পরাজিত হওয়ার পরই জেলা সভাপতি পদ থেকে বিপ্লব মিত্রকে সরিয়ে দেওয়া হলে তিনি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহ 10 জন সদস্যকে নিয়ে বিজেপিতে নাম লেখান। আর এরপরই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ তৃণমূল থেকে বিজেপির দখলে চলে আসে। তারপর আত্রেয়ী দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গেছে।

বিজেপিতে 10 জন সদস্যকে নিয়ে গেলেও অনেকেই আবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তবে জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা রায় এখনও পর্যন্ত বিজেপিতেই আছেন। আর সভাধিপতি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে কোনোভাবেই সাহায্য করা হচ্ছে না বলে এবার জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতে শুরু করল। লিপিকাদেবীর অভিযোগ, তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাকে কার্যত একঘরে করে রাখা হয়েছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

নিরাপত্তারক্ষী দেওয়া তো দূর অস্ত, কোনো সরকারি আধিকারিকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তার সাথে কেউ দেখা করতে চাইছেন না। যার ফলে প্রবল সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতির এই অভিযোগ ঘিরেই এবার শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য। অনেকের প্রশ্ন, তাহলে কি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্যই সরকারের অঙ্গুলিহেলনে প্রশাসনকে দিয়ে পরোক্ষে সেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার লিপিকা রায়ের পর এই ভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে!

এদিন এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা রায় বলেন, “বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই আমার নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের আধিকারিকরা আমার ফোন তুলছেন না। দেখা করতে চাইলেও কেউ দেখা করছেন না। কোনো অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না। এমন দুর্ব্যবহার কাম্য নয়। আমি এই বিষয় নিয়ে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হব। জেলা পরিষদের সম্পূর্ণ উন্নয়ন থমকে রয়েছে। কাজ করতে চাইলেও প্রশাসন কোনো সহযোগিতা করছে না।”

তাহলে কি তাকে অসহযোগিতা করার পেছনে কোনো রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে! এদিন এই প্রসঙ্গে লিপিকা রায় বলেন, “আমি নিশ্চিত প্রশাসন শাসক দলের হয়ে কাজ করছে। আর তাই এইভাবে আমাকে অসহযোগিতা করা হচ্ছে।” কিন্তু যেখানে খোদ রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়নের মধ্যে দিয়ে রাজ্যকে পরিচালনা করার কথা বলেন, সেখানে বিরোধী দলে যোগ দেওয়া দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাকে কেন এভাবে কাজ করতে বাধা দিচ্ছে প্রশাসন!

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!