এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফর নিয়ে বড়সড় চাপ বাড়িয়ে এবার কঠোর পদক্ষেপের পথে তরুণ বিধায়ক – জেনে নিন বিস্তারিত

মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফর নিয়ে বড়সড় চাপ বাড়িয়ে এবার কঠোর পদক্ষেপের পথে তরুণ বিধায়ক – জেনে নিন বিস্তারিত

Priyo Bandhu Media

মুখ্যমন্ত্রী জনসংযোগ কর্মসূচির নামে জেলা থেকে জেলায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন, প্রশাসনিক বৈঠক করছেন। প্রয়োজনে সেই জেলায় রাত্রিবাসও করছেন। কিন্তু সেই খরচার হিসাব জনগণের সামনে আসেনা। এ নিয়ে এবার আসরে নামলেন বাম বিধায়ক আলি ইমরান রামজ বা ভিক্টর। সূত্রের খবর, তথ্য আইনে ভিক্টর চিঠি দিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনকে।

2011 সালের পর থেকে মুখ্যমন্ত্রীর যতগুলি প্রশাসনিক বৈঠক হয়েছে সেগুলি সম্পর্কে সম্পূর্ণ খরচ এবং সেই খরচ কোথা থেকে এসেছে ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই চিঠিতে। তবে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক রশমি কমল চিঠির প্রসঙ্গটি আমল না দিয়ে বলেন, “চিঠির বিষয়টি মনে পড়ছে না!” জেলা প্রশাসনের অন্য আধিকারিকের কথায় অবশ্য জানা গেছে, “মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকগুলির খরচ জানতে চেয়ে চিঠি এসেছিল। জবাব দেওয়া হয়েছে।”

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ার ফরওয়ার্ড ব্লক বিধায়ক ভিক্টর জানাচ্ছেন, তথ্য আইনের 7.1-I ধারায় তিনি মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের খরচ জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছেন জেলা প্রশাসনকে। নিয়ম হচ্ছে 48 ঘণ্টার মধ্যে চিঠির উত্তর দিতে হবে। কিন্তু তার দাবি, এক মাসের মধ্যে তাঁর চিঠির কোনো উত্তর আসেনি। প্রশাসন সুত্রে খবর পাওয়া গেছে, স্টেপ পাবলিক ইনফরমেশন অফিসার এর দপ্তরে চিঠি জমা পড়েছে। সেখান থেকে চিঠি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাশাসকের অফিসে আসে।

তবে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে যে চিঠি চিঠি অনুযায়ী খরচের হিসাব দেওয়া যায়নি কারণ মুখ্যমন্ত্রী জেলা সফরের সঙ্গে পূর্ত, জনস্বাস্থ্য, কারিগরি প্রভৃতি দপ্তর এবং কালেক্টরেটের বিভিন্ন বিভাগও যুক্ত থাকে। সুতরাং এতগুলো দপ্তরের খরচের রিপোর্ট তৈরি করাটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এনিয়ে ভিক্টর এদিন বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী জেলা সফর জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়। সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতা হোক বা শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি, সবেতেই মুখ্যমন্ত্রী শূন্য কোষাগারের কথা বলেন। তাহলে উনি কেন জানাবেন না যে প্রশাসনিক সফরে তাঁর জন্য কত খরচ হচ্ছে।”

বাম শিবিরের যে বক্তা বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল সরকারকে প্রশ্ন করে বারবার বিড়ম্বনায় ফেলেন তিনি হলেন ভিক্টর। এর আগেও তিনি তথ্য জানার অধিকার আইনে মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফরের খরচের হিসেব জানতে চান কিন্তু সে খরচের হিসাব মেলেনি। তাই ভিক্টর এবারে কোর্টে যাওয়ার কথা ভাবছেন খরচের হিসেব না পেলে। বাম শিবিরের দাবি অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে জেলা সফর করে বেড়ান তাতে তাঁর শূন্য কোষাগারের দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তৃণমূল নেতৃত্বের তরফ থেকে এ বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!