এখন পড়ছেন
হোম > খেলা > বিশ্বকাপের বিশ্বযুদ্ধ – স্বপ্নের ফাইনালের শেষে জয়ী ক্রিকেট দেবতাই, আপ্লুত বিশ্ববাসী

বিশ্বকাপের বিশ্বযুদ্ধ – স্বপ্নের ফাইনালের শেষে জয়ী ক্রিকেট দেবতাই, আপ্লুত বিশ্ববাসী

গতকাল লর্ডসে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয় আয়োজক দেশ ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। দু-দলই এর আগে ফাইনালে খেললেও ট্রফি যেতে নি, ফলে ক্রিকেট বিশ্ব যে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পাবে – এটা নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু, দিনের শেষে ক্রিকেট ভক্তরা যে এতটা পাবেন, তা বোধহয় ক্রিকেটের ঈশ্বরও ভাবেননি। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফাইনালের সাক্ষী হয়ে থাকল গতকালের লর্ডস।

নিউজিল্যান্ড টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ইংল্যান্ডের মাপা বোলিংয়ের সামনে হেনরি নিকোলাস (৫৫) ও টম লাথাম (৪৭) ছাড়া সেইভাবে কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। এনক্ল্যান্ডের হয়ে ৩ টি করে উইকেট নেন ক্রিস ওকস ও লিয়াম প্লাঙ্কেট। নিউজিল্যান্ড নির্ধারিত ৫০ ওভারে করে ৮ উইকেটে ২৪১ রান।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

ঘরের মাঠে পাল্টা ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকেই চাপে পরে যায় ইংল্যান্ডও। বেন স্টোকসের মহাকাব্যিক ৮৪ নট আউট ও জস বাটলারের হাল না ছাড়া ৫৯ রানে ভর করে ম্যাচ পৌঁছে যায় অন্যতম উত্তেজক জায়গায়। শেষ ওভারে জিততে গেলে ১৫ রান দরকার এই অবস্থায় প্রথম দুটি বলেই কোনো রান হয় না – কিন্তু তৃতীয় ও চতুর্থ বলে পরপর দুটি ৬ মেরে জয়ের কাছাকাছি চলে যায় ইংল্যান্ড। শেষ ২ বলে যেখানে জেতার জন্য ৩ রান দরকার সেখানে ইংল্যান্ড করে ২ রান সাথে ২ উইকেট হারায়।

ফাইনাল টাই হওয়ায়, ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সুপার ওভারে ইংল্যান্ড ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ডকে জয়ের দোরগোড়ায় এনে দেওয়া বেন স্টোকস ও জস বাটলারকে। দুজনে মিলে ট্রেন্ট বোল্টকে সামলে করেন ১৫ রান। যেহেতু সুপার ওভারে তাই হলে ইংল্যান্ড জিতে যাবে, তাই নিউজিল্যান্ডকে করতেই হাত ১৬ রান। এই অবস্থায় প্রথম বলই ওয়াইড করে ও দ্বিতীয় বলে ৬ খেয়ে ইংল্যান্ডকে রীতিমত চাপে ফেলে দেন বোলার জোফ্রে আর্চার। কিন্তু শেষ বলে নিউজিল্যান্ডের জিততে গেলে লাগত ২ রান, দ্বিতী রান নিতে গিয়ে মার্টিন গাপ্তিল আউট হয়ে যেতেই লর্ডসের মাটিতে লেখা হয়ে যায় নতুন ইতিহাস।

পরপর দুবার ফাইনালে উঠেও কান্নাভেজা চোখে দেশে ফিরতে হল নিউজিল্যান্ডকে। কিন্তু ১৯৭৯ সাল থেকে ফাইনালের দরজা ঠকঠকিয়ে অবশেষে কাপ জেতার আনন্দ পেল ইংল্যান্ড। কিন্তু যে উত্তেজনাকর পরিবেশের মধ্যে দিয়ে ফাইনাল শেষ হল – তাতে বলাই যায়, ইংল্যান্ড যেতে নি বা নিউজিল্যান্ড হারে নি! দিনের শেষে জয়ী হয়েছে ক্রিকেট! সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবথেকে উত্তেজক ফাইনাল হয়ে ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে গেল গতকাল লর্ডসের মহাকাব্যিক লড়াই।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!