এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বর্ধমান > এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল নেতারা জেলে যেতে শুরু করবেন? জল্পনা বাড়ালেন হেভিওয়েট নেতা

এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল নেতারা জেলে যেতে শুরু করবেন? জল্পনা বাড়ালেন হেভিওয়েট নেতা

অনেকদিন থেকেই সারদা এবং নারদা প্রবল অস্বস্তিতে ফেলতে শুরু করেছে তৃণমূলকে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্রের মত হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাদের একসময় শ্রীঘরেও যেতে হয়েছে। কিন্তু তারপর থেকে এই সারদা এবং নারদা নিয়ে সিবিআইয়ের অতি সক্রিয়তা চোখে পড়েনি। যা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মোদী-মমতা সমঝোতার অভিযোগ করতে দেখা গেছে বাম- কংগ্রেসকে।

কিন্তু সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পরই ফের সিবিআইয়ের তরফে এই ব্যাপারে তদন্ত প্রক্রিয়ায় গতি দিতে দেখা গেছে। যা নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতির অভিযোগ তুলে সরব হতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূলকে। আর এবার সারদাকাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের জেলে পাঠানোর হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেল রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহাকে।

সূত্রের খবর, শুক্রবার বর্ধমানের হাটগোবিন্দপুরে বিজেপির দলীয় সভায় উপস্থিত হন রাহুল সিনহা। যেখানে ছিলেন জেলা বিজেপির সভাপতি সন্দীপ নন্দী সহ অন্যান্যরা। আর সেখানেই একের পরে ইস্যুতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন রাহুলবাবু। এদিন তিনি বলেন, “সারদা, নারদায় যারা জড়িত, তারা এক মাসের মধ্যে জেলে যাবে। কেউ ছাড়া পাবে না।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এদিকে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা এই ধরনের কথা বললে তা নিয়ে পাল্টা সুর চড়িয়েছে তৃণমূল। ঘাসফুল শিবিরের বক্তব্য, কোনো তদন্তাধীন বিষয় নিয়ে কেন বিজেপি নেতারা এইভাবে তাঁদের বক্তব্য পেশ করবেন! এতেই তো বোঝা যাচ্ছে যে, সমস্ত সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে নিজেদের করায়ত্ত করেছে গেরুয়া শিবির। তবে শুধু সারদা, নারদা ইস্যুতেই নয়। এদিন আরও একাধিক ব্যাপারে রাজ্যের শাসকদলের কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন এই বিজেপি নেতা।

তিনি বলেন, “এখন তৃণমূল নেতাদের গরু পাচার, কয়লা খাদান ও বালি খাদানের ব্যবসা‌। গরু পাচার রুখতে গিয়ে বিএসএফের জওয়ানদের ওপর হামলা হয়েছে। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের কাউকে ছাড়া হবে না।” অন্যদিকে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেওয়ার পরামর্শ দেন রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে জনপ্রিয়তা ছিল, তা শেষ তিন বছরে তলানিতে ঠেকেছে।”

কিন্তু বিধাননগর পৌরসভার মেয়র তথা তৃণমূল বিধায়ক সব্যসাচী দত্তের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার যে জল্পনা চলছে, তা কি সত্যি! এদিন এই প্রসঙ্গেও নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন রাহুল সিনহা‌। তিনি বলেন, “সব্যসাচী দত্ত এখনও বিজেপিতে আসার ব্যাপারে আবেদন জানাননি। যাঁরা বিজেপিতে আসতে চাইবেন, তাঁদের ছাঁকনির মধ্যে দিয়ে ছেঁকে নেওয়া হবে।” সব মিলিয়ে দুর্নীতি ইস্যুতে এবার তৃণমূলের উদ্দেশ্যে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল নেতাদের জেলে যাওয়ার সম্ভাবনাকে উস্কে দিতে দেখা গেল রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতিকে।

Top
error: Content is protected !!