এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সরকারি কর্মীদের নতুন বেতন কমিশন চালু হতেই আরও বড় ধাক্কা রাজ্যের? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য!

সরকারি কর্মীদের নতুন বেতন কমিশন চালু হতেই আরও বড় ধাক্কা রাজ্যের? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য!

খুব শীঘ্রই রাজ্যের প্রায় 10 লক্ষ সরকার এবং সরকার পোষিত কর্মচারীরা নতুন হারে বেতন পেতে চলেছেন। কিন্তু কর্মচারীদের সুখবর দিতে গিয়ে এবার প্রবল সংকটের মুখে পড়তে চলেছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, এই দশ লক্ষ সরকারি এবং সরকার পোষিত কর্মচারীদের বেতনক্রম কার্যকর করতে গিয়ে নতুন বছরের একদম শুরুতেই বাজার থেকে ছয় কোটি টাকা ধার করতে হল রাজ্য সরকারকে।

যার ফলে এখন কার্যত ভাঁড়ে মা ভবানী দশা নবান্নের। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, নতুন কোনো প্রকল্প হাতে নিতে পারছে না রাজ্য সরকার। যতটা সম্ভব ভাড়ারে অর্থ রাখার চেষ্টা করছে অর্থ দপ্তর। জানা গেছে, চলতি মাসের 10, 14 এবং 28 জানুয়ারি 3 দফায় বাজার থেকে 2 কোটি টাকা করে মোট ছয় কোটি টাকা ধার করেছে রাজ্য প্রশাসন। আর অতীতে এত বিপুল টাকা বাজার থেকে রাজ্যকে ধার করতে হয়েছে কিনা – তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না কেউই।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

বস্তুত, 2008-09 সাল থেকে যে ঋণ নেওয়া শুরু হয়েছিল, তা 2018-19 অর্থবছরে শোধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তার উপর ষষ্ঠ বেতন কমিশনের বোঝার ফলে এখন রাজ্য সরকারের প্রবল সংকটজনক অবস্থা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত 2008 সালে রাজ্যের মোট দেনা ছিল 1 লক্ষ 32 হাজার টাকা। কিন্তু কালের নিয়মে 2019 সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে, প্রায় 3 লক্ষ 94 হাজার কোটি টাকা। যা নিঃসন্দেহে নবান্নের কর্তাদের চোখকে কপালে তুলে দিচ্ছে।

এদিন এই প্রসঙ্গে অর্থ দপ্তরের কর্তারা বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বাজেট নিয়ন্ত্রণ আইনের বাইরে গিয়ে বাজার থেকে আরও ধার করার অনুমোদন চাওয়া হচ্ছে। না হলে পরিকল্পনা খাতের খরচে টান দিতে হবে। তাতে রাজ্যের উন্নয়নের ওপর আঘাত আসতে বাধ্য।” অন্যদিকে এই ব্যাপারে নবান্নের এক কর্তা বলেন, “চলতি অর্থবর্ষে শেষ দু মাসে ধার করে বেতন মেটাতে হবে।”

তিনি আরও জানিয়েছেন, “যেভাবে আর্থিক মন্দা জাঁকিয়ে বসেছে, তাতে আগামী অর্থবর্ষে কি অবস্থা দাঁড়াবে, তাও বোঝা মুশকিল।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি কর্মচারীদের কিছুটা ভালো খবর দিতে গিয়ে, যেভাবে বাজার থেকে বিপুল টাকা ঋণ নিতে হল রাজ্যকে, তাতে রাজ্যের উন্নয়নে বড়সড় ধাক্কা আসতে পারে। এখন এই ধাক্কা সামলে নিয়ে বাজারের ধার শোধ করে, রাজ্য আদৌ সচল হতে পারে কিনা! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -
Top