এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > এবার কি শাসকদলের পথে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?

এবার কি শাসকদলের পথে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?

রাজ্য-রাজনীতিতে এই মুহূর্তে অন্যতম বিতর্কিত নাম সিপিআইএমের বহিস্কৃত রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সিপিআইএম থেকে বহিস্কৃত হলেও দলের তরফে তা সরকারিভাবে তা রাজ্যসভায় জানানো হয় নি, কেননা সেক্ষেত্রে তিনি দলবিহীন সাংসদ হয়ে রাজ্যসভায় থেকে যাবেন বা অন্য কোনো দলেও নাম লেখাতে পারবেন। এহেন পরিস্থিতিতে সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই এবং সাংসদ নিজে রহস্যে মোড়া উত্তর দিয়ে তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বিজেপিতে যাবেন না রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসে তাই নিয়েই রাজ্য-রাজনীতি তো বটেই সরগরম জাতীয়-রাজনীতিও। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে নিয়ে প্রকাশিত এক বাংলা পোর্টালের খবর অনুযায়ী জল্পনা তিনি বোধহয় শাসকদলের দিকেই পা বাড়িয়েছেন।
ওই পোর্টালের খবর অনুযায়ী রাজ্যসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢালাও প্রশংসা করে তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত কন্যাশ্রী প্রকল্প নিয়ে লিখিত প্রশ্ন করেছেন, শুধু এখানেই শেষ নয়, বকলমে তিনি জাতীয় পর্যায়ে কন্যাশ্রী প্রকল্পের আরো প্রচার এবং কেন্দ্র সরকারের কন্যাশ্রী প্রকল্প নিয়ে উদাসীনতাও তুলে ধরেছেন। ওই পোর্টালের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রকের কাছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যসভায় লিখিতভাবে প্রশ্ন করেন, ২০১৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে ‘কন্যাশ্রী প্রকল্প’ চালু করেছিল, তা রাষ্ট্রপুঞ্জে পুরস্কৃত হয়েছে। তাঁরা এ ব্যাপারে জানেন কি না? কেন্দ্রীয় সরকার সেই মডেল অনুসরণ করে তাদের নামে নগদ অর্থ দিয়ে নাবালিকাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের কথা ভাবছে কি না? যদি ভেবে থাকে তাহলে তা কী ভাবে? আর যদি না ভেবে থাকে, তা হলে কেন নয়?
ওই পোর্টালের খবর অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রক জানিয়েছে, তারা রাষ্ট্রপুঞ্জের পুরস্কারের সবকিছু জানেন। আর এর প্রতিক্রিয়ায় সাংসদ জানিয়েছেন, আমার প্রশ্নের ভাসা ভাসা জবাব দেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার আমার প্রশ্নের সরাসরি জবাব এড়িয়ে যাচ্ছে। আমার প্রশ্নের ঠিকঠাক জবাবই দেওয়া হয়নি, আমি এর ব্যাখ্যা চাইব! আর এরফলেই ওই পোর্টাল প্রশ্ন তুলেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় আদতে বাম-সাংসদ, যাদের ঘোষিত নীতি হল, তৃণমূল কংগ্রেস তথা রাজ্য সরকারের বিরোধিতা করা। আর তাই দলীয় নীতির উল্টোপথে হেঁটে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্প তুলে ধরতে চাইছেন। তাহলে কি পরবর্তী রাজনৈতিক গন্তব্যের হদিশটা নিজের রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমেই দিয়ে দিলেন তিনি? সময়ই এর সঠিক উত্তের দিতে পারবে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!