এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > গো-বলয়ে হারের শিক্ষা নিয়ে লোকসভার আগে মধ্যবিত্ত মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের? জানুন বিস্তারিত

গো-বলয়ে হারের শিক্ষা নিয়ে লোকসভার আগে মধ্যবিত্ত মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের? জানুন বিস্তারিত

জিএসটি থেকে নোট বাতিল – কেন্দ্রের একের পর এক সিদ্ধান্তে কংগ্রেসের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপিকে। সদ্যসমাপ্ত দেশের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত ধ্বস নেমেছে পদ্ম শিবিরের ভোটব্যাঙ্কে – পরাভূত হতে হয়েছে কংগ্রেসের কাছে। আর গো-বলয়ে এই পরাজয়ের পর বিরোধীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে – বিজেপির পরাজয়ের পিছনে জিএসটি, নোট বাতিল নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভই হল আসল কারণ।

স্বাভাবিকভাবেই, বিরোধীদের এই তোপের মুখে পড়ে কিছুটা বিমর্ষ বিজেপি নেতারা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই জিএসটি চালু করার সময়ই বিরোধীদের প্রবল তোপের মুখে পড়তে হয়েছিল কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে। আর সেই সময়ই জিএসটি চালুর ফলে বিপাকে পড়েছিলেন দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা বলে দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে। আর এবার, এই জিএসটি প্রয়োগের ফলে দেশের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে তার কুপ্রভাব পড়েছে বলে মনে করতে শুরু করেছেন কেন্দ্রের বিজেপি নেতারাও বলে গুঞ্জন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সামনেই লোকসভা নির্বাচন – আর তাই, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ যাতে আর ভোটব্যাঙ্কে না পড়ে সেজন্য এখন থেকেই জিএসটি পরিকাঠামোতে বদল আনার সুর শোনা গেল কেন্দ্রের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গলায়। সূত্রের খবর, এদিন মুম্বইয়ের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “জিএসটি চালুর আগে সারাদেশে নথিভুক্ত সংস্থার সংখ্যা যেখানে ৬৫ লক্ষ ছিল, সেখানে জিএসটি চালু পরই সেই সংখ্যা আরও ৫৫ লক্ষ বেড়েছে। আমরা ৯৯% পণ্যকেই ১৮% জিএসটি আওতার নিচে নিয়ে আসার জন্য কাজ শুরু করেছি”।

আর প্রধানমন্ত্রীর এই কথাতেই জল্পনা ছড়িয়েছে, তাহলে কি ভোটের আগে আম আদমির কথা মাথায় রেখেই পণ্য পরিষেবা করের পরিকাঠামোতে বদল আনছে কেন্দ্র? কেননা প্রধানমন্ত্রী এদিনের এই সভায় স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, সাধারন মানুষ যে সমস্ত জিনিস ব্যবহার করেন সেই সমস্ত কিছুকে ১৮ শতাংশের নিচে নিয়ে আসা হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লোকসভার আগে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ প্রশমন করতেই কেন্দ্রের এই উদ্যোগ। তবে উদ্যোগ নিলেও তাতে ঠিক কতটা সফলতা অর্জন করে বিজেপি এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top