এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > বিশ্ববাংলা ইস্যুতে কি এবার বৃহত্তর লড়াইয়ে মুকুল-শিবির? উঠছে প্রশ্ন

বিশ্ববাংলা ইস্যুতে কি এবার বৃহত্তর লড়াইয়ে মুকুল-শিবির? উঠছে প্রশ্ন

তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়েই একসময়ের শাসকদলের অঘোষিত দুনম্বর নেতা মুকুল রায় তাঁর রাজনৈতিক লড়াইয়ের অভিমুখ ঠিক করে নিয়েছিলেন। বিজেপির হয়ে তাঁর প্রথম প্রকাশ্য জনসভা থেকেই শাসকদলের দিকে ধীরে ধীরে ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ শুরু করেছেন তিনি। সেখানেই বিভিন্ন নথি দেখিয়ে বিশ্ববাংলা, জাগোবাংলা নিয়ে তুলে দিয়েছেন একাধিক প্রশ্ন আর যা নিয়ে কথার তরজা পেরিয়ে লড়াই পৌঁছেছে আদালত পর্যন্ত। এমনকি বিধানসভায় দাঁড়িয়ে টানিয়ে মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কিন্তু তাতে এই নিয়ে বিতর্ক থামার বদলে বেড়ে গেছে বহুগুন, উঠে গেছে বহু প্রশ্ন। মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় জানিয়েছিলেন, কেউ কেউ এই নিয়ে কুত্‍সা রটাচ্ছে। কিন্তু, বিশ্ব বাংলা লোগো, নাম আমার তৈরি। ২০১৩ সালে এই লোগো তৈরি করি। রাজ্য সরকারকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তা ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকার যতদিন ইচ্ছা তা ব্যবহার করবে। রাজ্য সরকার কোনওদিন ছেড়ে দিলে, তা আমার কাছে ফিরে আসবে। যা শুনে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসুর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল, আসলে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার ওই লোগোটা রাজ্য সরকারকে লিজ দিয়েছে। এখন জানা দরকার কত দিনের চুক্তি হয়েছে। বিনা পয়সায় লোগো দিলেও, ‘বিশ্ববাংলা’-র ব্র্যান্ড ভ্যালু বেড়ে যাওয়ার পরে সেটা পিসির হয়ে ভাইপো ফেরত্‍ চাইতেই পারেন। রাজ্যের স্বার্থে ওই চুক্তি সামনে আসুক।
অন্যদিকে পুরো ব্যাপারটি নিয়ে চরম আক্রমনাত্মক মেজাজে মুকুল রায়ের আইনজীবী সোম মণ্ডলের দাবি, দোষ ঢাকতে এখন কুযুক্তি সাজাচ্ছে সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেস, যা আরও বিপদ ডেকে আনবে। আর এখানেই না থেমে তিনি তারসাথে তুলে দিয়েছেন একাধিক প্রশ্নও, যা নিয়ে ভবিষ্যতে বৃহত্তর লড়াইয়ে যেতে পারে মুকুল-শিবির বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। মুকুল রায়ের আইনজীবীর আইনজীবীর তোলা প্রশ্নগুলি হল –

১. সরকারের টাকায় ব্র্যান্ড তৈরি করে নিজেরা নিয়ে নেবে না তো?
২. সরকারকে মুখ্যমন্ত্রী লোগো দান করে থাকলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন ট্রেডমার্কের আবেদন করলেন?
৩. পশ্চিমবঙ্গ সরকার যখন ট্রেডমার্কের আবেদন করল তখন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে চুক্তির কথা বলল না কেন?
৪. অভিষেকের আবেদনের বিরোধিতা করার সময়ে রাজ্য সরকার কেন সেই দান বা চুক্তির কথা উল্লেখ করল না?
৫. রাজ্য সরকার আবেদনের সঙ্গে অভিষেকের বিরুদ্ধে খারাপ উদ্দেশ্য ও অবিশ্বাসের অভিযোগ তুলেছে। তখনও চুক্তির কথা কেন বলেনি?

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!