এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > প্রতারণা মামলায় বড়সড় অস্বস্তি মুকুল রায়ের! বাড়ল কি গ্রেপ্তারির সম্ভবনা?

প্রতারণা মামলায় বড়সড় অস্বস্তি মুকুল রায়ের! বাড়ল কি গ্রেপ্তারির সম্ভবনা?

মতানৈক্যের জেরে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা শুরু হয়েছে। মুকুলবাবুর নিজের দাবি অবশ্য, রাজনৈতিক যুদ্ধে তাঁর সঙ্গে পেরে না উঠে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার আশ্রয় নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় মুকুলবাবু স্বস্তি পেলেও, বেশিরভাগ মামলাই বর্তমানে বিচারাধীন এবং তারফলে একাধিকবার জল্পনা ছড়িয়েছে – গ্রেপ্তার হতে পারেন মুকুল রায় বলে।

সাম্প্রতিককালে অভিযোগ উঠেছে, রেলের বোর্ডে পদ পাইয়ে দেবার জন্য এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন মুকুলবাবুর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত নেতা বাবান ঘোষ। মুকুলবাবুর বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলির মধ্যে, সবথেকে অস্বস্তিকর এই মামলাটিই বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। কেননা, এই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হন বাবান ঘোষ। আর অসমর্থিত সূত্রের খবর, জেরার সময় নাকি তিনি মুকুলবাবুর নাম নিয়েছেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

ফলে, এই মামলায় নাম জড়িয়ে গেছে মুকুলবাবুর। তদন্তকারীরা এই মামলায় মুকুলবাবুকে গ্রেপ্তার করতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা। ফলে, সাবধানী পদক্ষেপ হিসাবে মুকুলবাবু আদালতের কাছে বারবার আবেদন জানিয়েছিলেন, যাতে তাঁকে অহেতুক গ্রেপ্তার করে হয়রান না করা হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টও মুকুলবাবুর গ্রেপ্তারির উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। সেই স্থগিতাদেশ শেষ হচ্ছে আজ, ৫ ই সেপ্টেম্বর।

এদিকে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল গত শুক্রবার – কিন্তু ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এই মামলায় আর শুনানি করতে চান নি বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। ফলে মামলা স্থানান্তরিত হয়ে যায় বিচারপতি সৈয়দুল্লাহ মুন্সীর বেঞ্চে। নতুন বেঞ্চে মামলার লিস্টিং হয়ে পরবর্তী শুনানির দিন পরে ৬ ই সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আগামীকাল। এদিকে মুকুলবাবুর গ্রেপ্তারির উপর স্থগিতাদেশ শেষ হয়ে যাচ্ছে আজ রাত ১২ টায়, আর আগামীকাল সকাল ১০ টার আগে কিছুতেই মামলা উঠতে পারে না। ফলে, জল্পনা তীব্র হচ্ছে – মাঝের এই সময়টাই কি মুকুলবাবুকে গ্রেপ্তারির কোনো পরিকল্পনা নেওয়া হবে? রাজনৈতিক মহলের চোখ এখন সেদিকেই।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!