এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সিবিআইয়ের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ পুলিশ দিয়ে রাজীব কুমারের গ্রেপ্তারি আটকানো আর সম্ভব নয়?

সিবিআইয়ের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ পুলিশ দিয়ে রাজীব কুমারের গ্রেপ্তারি আটকানো আর সম্ভব নয়?

কলকাতা হাইকোর্টে কলকাতার প্রাক্তন নগরপাল তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অফিসার হিসাবে পরিচিত রাজীব কুমার রক্ষাকবচ হারাতেই, চারিদিকে জল্পনা যেকোনো মুহূর্তে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হতে পারেন তিনি। কিন্তু আপাতত দেখা নেই রাজীব কুমারের – তিনি কোথাও প্রভাবশালীর আশ্রয়ে আছেন বলেই প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারী অফিসারদের মধ্যে এক নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

ফলে রাজীব কুমার যে কোনো মুহূর্তে গ্রেপ্তার হতে পারেন বলে তীব্র জল্পনা ছড়িয়েছে। আর তার সঙ্গেই জল্পনা ছড়িয়েছে, এবার সিবিআই রাজীব কুমারকে গ্রেপ্তার করতে এলে আবার কি কলকাতা বা রাজ্য পুলিশ দিয়ে তাঁকে ‘বাঁচানোর চেষ্টা’ করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কিন্তু সিবিআইয়ের মাস্টার স্ট্রোকে আপাতত তা হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত, এর আগে সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল রাজীব কুমারের বাড়িতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে, সেই তদন্তকারী অফিসারদের টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে যায় কলকাতা পুলিশ। এমনকি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই নিয়ে ধর্মতলায় ধর্নাতেও বসে যান। তবে এবারে আর সেরকম কিছু হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

কেননা বেশ কিছু সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, সুপ্রিমকোর্টে রাজ্যের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই এক ‘অবমাননার’ মামলা ঝুলে রয়েছে। এখন যদি কোনভাবে সিবিআইয়ের সঙ্গে ‘অসহযোগিতা’ করা হয়, তাহলে সেই মামলায় আরও ব্যাকফুটে চলে যাবে রাজ্য সরকার। ফলে, রাজীব কুমারকে যদি সিবিআই গ্রেপ্তার করতে চায় – সে ক্ষেত্রে ‘সহযোগিতা’ করা ছাড়া রাজ্য পুলিশের আর কিছু করার নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে সব মিলিয়ে রাজীব কুমারের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!