এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বঙ্গ বিজেপিতে রদবদল – লাখ টাকার প্রশ্ন সভাপতি হিসাবে থাকছেন কি দিলীপ ঘোষ?

বঙ্গ বিজেপিতে রদবদল – লাখ টাকার প্রশ্ন সভাপতি হিসাবে থাকছেন কি দিলীপ ঘোষ?

লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাশ হয়ে গেল সিএবি – এবার দীর্যঘদিন ধরে আটকে থাকা বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই বাংলায় সেই পরিবর্তনের লক্ষ্যে চলে এসেছেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মুরলীধর রাও। আর তারই পরিপ্রেক্ষিতে উঠে গেছে লাখ টাকার প্রশ্ন – বিজেপিতে কি সভাপতি হিসাবে থেকে যাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ? এই প্রশ্নের উত্তরের দিকেই পাখির চোখের মত তাকিয়ে আছেন বাংলার লক্ষ লক্ষ গেরুয়া সমর্থক!

রাজনীতির ময়দানে একেবারে আনকোরা হিসাবে উঠে এসে ২০১৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে জ্ঞান সিংহ সোহনপালের মত লিজেন্ডারি প্রার্থীকে হারিয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন দিলীপবাবু। তারপরে, লোকসভা নির্বাচনেও প্রথমবার লড়েই মানস ভূঁইয়ার মত দীর্ঘদিনের হেভিওয়েট প্রার্থীকে অক্লেশে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেন। শুধু তাই নয় – তাঁর সভাপতিত্ত্বেই বাংলায় বিজেপি প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসে পড়েছে। একই সঙ্গে তাল ঠুকছে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মসনদ দখলের।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

কিন্তু, এত কিছু ভালোর মধ্যেও – দিলীপবাবুর বিরুদ্ধে দলীয়স্তরে দুটি বড় অভিযোগ। এক – তিনি সংগঠন ভালো বোঝেন না! দল এখন বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব – তা সামাল দিতে তিনি নাকি পুরোপুরি ব্যর্থ। দুই – তাঁর মুখ! তিনি মুখ খোলা মানেই বিতর্ক। কখনও তৃণমূলকে মেরে শশ্মানে পাঠানোর হুঙ্কার, তো কখনও গরুর দুধে সোনা খুঁজে পাওয়ার তত্ত্ব! তাঁর এই ধরনের কথাবার্তা নাকি বাংলার শিক্ষিত সমাজ খোলা মনে মেনে নিতে পারছেন না! আর এই দুইয়ের প্রভাবেই সদ্যসমাপ্ত ৩ উপনির্বাচনে বিজেপি মুখ থুবড়ে পড়েছে!

ফলে, তাঁর আমলে বাংলায় বিজেপি তুমুল সাফল্য পেলেও – তাঁর পদ বেশ নড়বড়ে! বিজেপির সাংগঠনিক যে রদবদল হতে চলেছে – তাতে মূলত তিনটি সম্ভবনার কথা উঠে আসছে। এক – যেমনই হন দিলীপবাবু, বাংলায় বিজেপিকে সাফল্য এনে দিয়েছেন। ফলে, সেই সূত্রেই তিনিই সভাপতি থেকে যাবেন। দুই – বর্তমানে তিনি সাংসদ, দিল্লিতে বা জাতীয় রাজনীতিতে অনেকটা সময় দিতে হচ্ছে। সুতরাং বাংলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত চষে বেড়ানো আর সম্ভব নয় তাঁর পক্ষে। সুতরাং, তিনি সভাপতি হিসাবে থেকে গেলেও, তাঁর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হতে পারে একজন কার্যকরী সভাপতিকে।

আর তিন, যে সম্ভাবনা সব থেকে বেশি জোরালো – বঙ্গ-বিজেপিকে যা দেওয়ার দেওয়া হয়ে গেছে দিলীপবাবুর। এখন তাঁকে বেশি করে কেন্দ্রিয়স্ত্রে ব্যবহার করতে চায় বিজেপি। বিশেষ করে তিনি যেভাবে সাবলীলভাবে হিন্দি বলতে পারেন – তাতে কেন্দ্রীয়স্তরে তিনি আরো বেশি করে মুখ খুলুন – তৃণমূলকে আক্রমন করুন। আর বাংলায় দায়িত্ব নিন নতুন কেউ – যিনিই ২০২১-এ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মুখ হতে পারবেন। তবে, ৩ টি তত্ত্বই বেশ জোরালো গেরুয়া শিবিরের অন্দরমহল থেকে। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত গেরুয়া শিবির কোন সিদ্ধান্ত নেয় – উত্তরটা স্পষ্ট হবে আগামী কিছুদিনের মধ্যেই।

আপনার মতামত জানান -
Top