এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দিলীপ ঘোষের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের সম্ভবনা নিয়ে মুখ খুললেন হেভিওয়েট তৃণমূল কংগ্রেস নেতা

দিলীপ ঘোষের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের সম্ভবনা নিয়ে মুখ খুললেন হেভিওয়েট তৃণমূল কংগ্রেস নেতা

রাজ্য রাজনীতি আপাতত তুলকালাম প্রবল প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রধানমন্ত্রীর আসনে দেখার বাসনা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক। গত ৫ ই জানুয়ারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে দিলীপবাবু একেবারে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর কুর্শিতেই বসিয়ে দেন!

দিলীপবাবু সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলার যদি কারও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে তাঁর নাম মমতা ব্যানার্জি – এজন্য তাঁর সুস্থ থাকা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সকলের প্রথমে তাঁর নাম আছে! আমি তাঁর (মমতার) সুস্থ শরীর কামনা করি। তাঁর সুস্থতার ওপর বাংলার ভাগ্য নির্ভর করছে! আর স্বাভাবিকভাবেই এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা থেকে দিল্লি সর্বত্র তীব্র আলোড়ন। ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন বিজেপির নিচুতলার কর্মীরা।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল ‘ড্যামেজ কন্ট্রোলে’ নতুন প্রতিক্রিয়া দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি নিজেই। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন! স্বপ্ন দেখতে আপত্তি নেই, কিন্তু যতদিন মোদি প্রধানমন্ত্রী আছেন – ততদিন কারও চান্স নেই! আমি সৌজন্যের রাজনীতি পছন্দ করি, ওনাকে শুধু শুভেচ্ছা জানিয়েছি – এর বেশি কিছু নয়। তৃণমূলের তো এ রাজ্যের বাইরে সিট পাওয়ার সম্ভাবনাই নেই – তাহলে কেন্দ্রে যাবে কী করে? আমি মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন দেখার কথাই বলতে চেয়েছি। অর্থাত্‍ গতকাল যা বলেছি তা মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নকে কটাক্ষ করেই!

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

কিন্তু, দিলীপবাবুর এহেন মন্তব্যেও যে এই ঘটনার রেশ এত সহজে মিটবে না তা সহজেই অনুমেয়। ইতিমধ্যেই শাসকদলের একাধিক শীর্ষনেতা থেকে মন্ত্রী থেকে নিচুতলার কর্মী সবাই এই নিয়ে তীব্র টিপ্পনি শুরু করে দিয়েছেন। যার মোদ্দা কথা হল, বাংলায় বিজেপির যে কোনো ভবিষ্যৎ নেই – এটা বোঝার পাশাপাশি কেন্দ্র থেকেও যে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি সরে যেতে চলেছে তা জলের মত স্পষ্ট। আর তাই, বিজেপির রাজ্য সভাপতি এখন থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সত্যিটা মেনে নিলেন!

এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মন্ডলও। তিনি বলেন, ভারতবর্ষের মাটিতে আর বিজেপি ফিরে আসবে না। একথা নিশ্চয়ই উনি (দিলীপ ঘোষ) বুঝে গিয়েছেন। মোদি আর ফিরে আসছে না বলেই তাঁর দলের সভাপতি একথা বুঝেই বলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উনি বাঙালি হিসেবে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে চেয়েছেন, এর জন্য ওঁকে ধন্যবাদ জানাই। উনি বাস্তবটা বুঝতে পেরেছেন। তাই ওঁকে সাধুবাদ জানাই।

এর পরিপ্রেক্ষিতে অনুব্রত মন্ডলকে জিজ্ঞেস করা হয় – তাহলে দিলীপ ঘোষের কি তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে? কেননা, তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির নিচুতলায় কান পাতলে শোনা যাচ্ছে এই নিয়ে তীব্র গুঞ্জন? প্রশ্নের জবাবে, দার্শনিকের মত হেসে দিদির প্রিয় ‘কেষ্ট ভাইয়ের’ জবাব, কে যোগ দিল, আর কে দিল না তাতে আমাদের কিছু বয়ে যায় না। তাছাড়া তৃণমূলে যা আছে – আর আমাদের প্রয়োজন নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাত বছরে দেখিয়ে দিয়েছেন – তিনি মানুষের উন্নয়ন ছাড়া কিছু জানেন না। ভারতবর্ষে এমন মুখ্যমন্ত্রী আর দ্বিতীয় কেউ নেই।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!