এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপির রথযাত্রার ভবিষ্যৎ কি ঠিক হবে কালই? চূড়ান্ত উন্মাদনা গেরুয়া সমর্থকদের মধ্যে

বিজেপির রথযাত্রার ভবিষ্যৎ কি ঠিক হবে কালই? চূড়ান্ত উন্মাদনা গেরুয়া সমর্থকদের মধ্যে


বাংলাকে পাখির চোখ করা বিজেপির রথযাত্রা কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখন হাইকোর্টের হাতে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে বিজেপির এই “গণতন্ত্র বাঁচাও” নামক রথযাত্রা কর্মসূচিতে আপত্তি তুলেছিল রাজ্য প্রশাসন। যা পরবর্তী কালে কলকাতা হাইকোর্টেও গড়ায়।

আর এহেন একটা পরিস্থিতিতে হাইকোর্টের নির্দেশে কদিন আগেই লালবাজারে বিজেপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেন রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তারা। জানা গেছে, বিজেপির এই গণতন্ত্র বাঁচাও কর্মসূচি মোট ৪২ দিনের। আর একটি রাজ্যে এতদিন ধরে কোনো কর্মসূচি চালানো সম্ভব নয় বলেই এখানে আপত্তি রয়েছে রাজ্য প্রশাসনের।

এদিকে বিজেপির এই রথযাত্রা কর্মসূচির সময় একদিকে যেমন শান্তিকেতনের পৌষ মেলা রয়েছে ঠিক তেমনি ২৫ শে ডিসেম্বর থেকে ১ লা জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে বড়দিন আর ইংরেজি নববর্ষের উৎসবের পরিবেশ থাকবে। ফলে সেখানে কোন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সাধারণের আনন্দ মাটি করতে চায় না রাজ্য।

আর এই সমস্ত কারণ দেখিয়েই বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপাররা নবান্নকে দেওয়া রিপোর্টে জানিয়েছেন যে, এই রথযাত্রা হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। তাই এখন এই রথযাত্রা করা কোনোমতেই সম্ভব নয়। এদিকে বিজেপির এই রথযাত্রায় অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারে এদিনই হাইকোর্টে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর সঙ্গে কার্যত বিবাদে জড়িয়ে পড়লেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এদিন হাইকোর্টে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, “বিজেপি যে গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা বলছে তার শেষ এজেন্ডায় তৃণমূলকে সাম্প্রদায়িক বলা হয়েছে। তাই এহেন একটা পরিস্থিতিতে কিভাবে সেই বিজেপিকে রথযাত্রার অনুমতি দেওয়া যায়”? আর তখনই পাল্টা বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের উদ্দেশ্যে বলেন, “তাহলে তো আপনারা কিছু শর্ত দিতে পারতেন। আগে থেকেই কেন এরূপ অনুমান করছেন? আপনাদের কাছে তো ক্ষমতা আছে”!

এদিকে বিচারপতির এহেন তোপের মুখে পড়ে অ্যাডভোকেট জেনারেল কোর্টের কাছে গোয়েন্দা রিপোর্টের ব্যাপারে বিস্তারিত বলেন। সাথে সাথেই বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী বলেন, “শুধু গোয়েন্দা রিপোর্ট বললে তো কোনো রালিকেই অনুমতি দেওয়া যায় না”। তবে বিচারপতি বনাম অ্যাডভোকেট জেনারেলের এই তরজায় শেষ পর্যন্ত আদালত বিজেপির এই রথযাত্রার কর্মসূচি নিয়ে ঠিক কি সিদ্ধান্ত নেয় এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

সূত্রের খবর, আগামী কাল সকাল সাড়ে দশটায় এই ব্যাপারে রায় ঘোষণা করবেন বিচারপতি। আজ, কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর এই ‘রুদ্রমূর্তি’ দেখে আশায় বুক বাঁধছেন গেরুয়া শিবিরের সমর্থকরা। কেননা, তাঁদের বিশ্বাস রাজ্য প্রশাসনের নামে কার্যত রাজ্যের শাসকদল এই রথযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করছে। আর তাই, বাংলায় গেরুয়া শিবিরের রথের চাকা গড়ানোর জন্য আপাতত আগামীকাল আদালতের দিকেই নজর থাকছে গেরুয়া শিবিরের সমর্থকদের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!