এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তৃণমূলের খাসতালুক বলে পরিচিত দুই পুরসভায় বড়সড় থাবা বসাতে চলেছেন মুকুল রায়?

তৃণমূলের খাসতালুক বলে পরিচিত দুই পুরসভায় বড়সড় থাবা বসাতে চলেছেন মুকুল রায়?

তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদানের পরে মুকুল রায় এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনের সবটাই নাকি ‘কসমেটিক’ – একটু নাড়া দিলেই নাকি ‘উইয়ের ঢিপির’ মত ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়বে। তবে তাঁর সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে এখনও সেরকম কোন বড় ভাঙন গেরুয়া শিবির তৃণমূল কংগ্রেসে ধরিয়েছে বলে জানা যায় নি। একথা ঠিক, মুকুল রায়ের আগমনের পরে বিজেপির সংগঠন বা কর্মী সংখ্যা আগের থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে – কিন্তু তা, এখনও তৃণমূল কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার মত জায়গায় পৌঁছায় নি।

আর এর কারণ হিসাবে, অনেকেই মন্তব্য করেছিলেন মুকুল রায়ের বিজেপিতে গিয়ে কোন পদ না পাওয়াকে। কেননা, সবারই বক্তব্য ছিল – মুকুল রায়ের মত ‘বড় মাপের’ নেতা যদি বিজেপিতে গিয়ে পদ না পান, তাহলে অন্যান্যরা গেরুয়া শিবিরে যাবেন কোন ভরসায়। কিন্তু, পঞ্চায়েত নির্বাচনের দায়িত্ত্ব পেয়েই মুকুল রায় বঙ্গ-বিজেপির ক্ষেত্রে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল করে দেখিয়ে দিয়েছেন। ফলে আর দেরি করেননি অমিত শাহরা। প্রথমেই তাঁকে ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটির মেম্বার করা হয় আর পরে একেবারে লোকসভা নির্বাচনের রাজ্যের আহ্বায়কের দায়িত্ত্ব দেওয়া হয়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না – তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

আর লোকসভা নির্বাচনের দায়িত্ত্ব পেতেই তৃণমূল স্তরের সংগঠনে বড়সড় ভাঙন ধরানোর কাজ শুরু করে দিলেন মুকুলবাবু বলে সূত্রের খবর। কলকাতার নিকটস্থ দুই পুর-এলাকা, যা তৃণমূল কংগ্রেসের গড় বলেই পরিচিত, সেই পানিহাটি ও খড়দাতে এবার তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙ্গন ধরতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। মুকুলবাবুর ঘনিষ্ঠ অনুগামী বলে পরিচিত এক নেতার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন ওই দুই পুরসভার বিক্ষুব্ধ তৃণমূলীরা এবং সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী শনি বা রবিবার তাঁরা মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বলে জানা গেছে।

বর্তমানে, মুকুল রায় বাংলায় নেই – কেন্দ্রীয় নেতৃত্ত্বের সঙ্গে কৌশলগত আলোচনার জন্য তিনি আপাতত দিল্লিতে। আজ রাত্রে বা কাল সকালে তাঁর দিল্লি থেকে প্রত্যাবর্তনের কথা আছে। তিনি ফিরলেই, তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে যোগদানের সময় ও স্থান ঠিক হবে। তবে ইতিমধ্যেই এই যোগদান নিয়ে তাঁর সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে বলেই জানা গেছে। অন্যদিকে, কামারহাটির মুসলিম নয় এমন এক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশও বিজেপিতে কোগদান করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে, তাঁদের সঙ্গে সামগ্রিক ব্যাপারটা এখনো আলোচনার স্টোরে আছে বলেই সূত্রের খবর।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!