এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মুকুল রায়ের র‌্যাড্যারে এবার খাস কলকাতার এক হেভিওয়েট মন্ত্রী, আটকাতে দিল্লি ছুটলেন আরেক হেভিওয়েট

মুকুল রায়ের র‌্যাড্যারে এবার খাস কলকাতার এক হেভিওয়েট মন্ত্রী, আটকাতে দিল্লি ছুটলেন আরেক হেভিওয়েট

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ – বুকভরা অভিমান নিয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েই মুকুল রায় ঘোষণা করেছিলেন – তৃণমূল কংগ্রেসে নাকি রাজনীতি করার জায়গা নেই, সেখানে শ্বাস-প্রশ্বাসের বড় অভাব। আর তাই, সেই দমবন্ধকর পরিবেশে আর থাকতে না পেরে তিনি দলত্যাগ করলেন। একইসঙ্গে তিনি জানান, তিনি দল থেকে বেরিয়ে এসে যে অনুভূতির কথা বললেন, দলের প্রতিটা নেতা-মন্ত্রীর মনের কথাও নাকি একই, শুধুমাত্র ভয়ের আবহে তাঁরা প্রকাশ্যে তা বলতে পারছেন না! তবে ‘সঠিক সময়’ এলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথিতযশা সংগঠন নামের বস্তুটি নাকি ‘উইয়ের ঢিপির’ মত ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়বে।

তাঁকে বঙ্গ-রাজনীতির ‘চাণক্য’ যে এমনি এমনি বলা হয় না – সেদিনের সেই দূরদর্শিতা দেখানো ইন্টারভিউ দেড় বছর বাদে এসে হুবহু মিলিয়ে দিয়ে আবারো প্রমান করে দিলেন মুকুল রায়। তাঁর হাত ধরে একের পর এক তৃণমূল নেতা, বিধায়ক, সাংসদ ও যুবনেতা গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। একটি করে যোগদান হয়েছে – আর তোলপাড় হয়েছে রাজ্য-রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছে – দল থেকে ‘আবর্জনা’ পরিষ্কার হয়েছে! যদিও তার ভিত্তিতে বিজেপি নেতারা মুচকি হেসে বলেছেন, দলে থাকা অবস্থায় কেন এঁদের ‘আবর্জনা’ তকমা দিতে পারেনি তৃণমূল? দল থেকে বেরোলেই এই ‘বোকা বোকা’ বিবৃতি আর তো মানুষ নিচ্ছেন না!

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

পাল্টা দিতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষনেতারা জানিয়েছেন, টিকিট না পেয়ে কিছু ‘লোভী’ নাকি গেছে বিজেপিতে – যাঁরা প্রকৃত তৃণমূলী, তাঁরা এখনও আছেন দিদির সাথেই! কিন্তু, এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সেই জায়গাতেও ধাক্কা দিতে চলেছেন মুকুল রায়। সূত্রের খবর, খাস কলকাতার বুকের এক হেভিওয়েট রাজ্য মন্ত্রী এবার নাকি তাঁর সঙ্গে গোপন বৈঠকে বসেছিলেন। আর সেই বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি গেরুয়া শিবিরে যোগদান করতে চান। কোনো টিকিট বা পদ নয়, রাজ্যের ওই হেভিওয়েট মন্ত্রীর একটাই কাম্য ছিল – দলে যোগ্য সম্মান চাই। মুকুলবাবু আশ্বস্ত করেন, তাঁর মত সিনিয়র মন্ত্রীকে যথাযোগ্য সম্মান দিয়েই দলে নেওয়া হবে।

গেরুয়া শিবিরের এক নেতার কথায়, ওই বৈঠকের পরেই ঠিক হয়, গোপনে তিনি দিল্লি চলে গিয়ে হাতে গেরুয়া পতাকা নেবেন। কিন্তু, মুকুল রায়ের সঙ্গে এই বৈঠকের খবর চলে যায় শাসকদলের কাছে – আর তাই কার্যত ‘নজরবন্দি’ হয়ে যান ওই মন্ত্রী। কিন্তু, কিছুদিন আগেই দক্ষিণ কলকাতার এক দাপুটে কংগ্রেস নেতাকে রাজ্যের দুঁদে গোয়েন্দা ও পুলিশ আধিকারিকদের চোখ এড়িয়ে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করানো এক ঘনিষ্ঠ যুবনেতাকে মুকুলবাবু দায়িত্ব দেন রাজ্যের এই মন্ত্রীকেও গোপনে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার। ওই দাপুটে যুবনেতা কলকাতা থেকেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে দিল্লিতে পাঠানোর ব্যবস্থা কর দেন।

সূত্রের খবর, কঠিন নজরদারি এড়িয়ে ওই নেতা দিল্লি পৌঁছাতেই খবর পৌঁছে যায় শাসকদলের কাছে। ফলে, ওই মন্ত্রীকে আটকাতে দিল্লি পারি দেন সদ্য মন্ত্রীত্ব পাওয়া ‘বর্ধিত’ কলকাতার এক মন্ত্রীকে। যে খবর গেরুয়া শিবিরের কাছেও আছে। এই প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজ্য বিজেপির এক নেতার বক্তব্য, কিছুদিন আগে মন্ত্রীত্ব না পেয়ে এই মন্ত্রীই তো বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন যোগ দেবেন বলে। মন্ত্রীত্ব পেয়ে যাওয়ায়, আর আসেননি এদিকে। তবে মন্ত্রীত্ব পেয়ে তাঁকে তো ‘চৌকিদারির’ কাজ করতে হচ্ছে – যে মন্ত্রী দিল্লি গেছেন তাঁকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া থেকে আটকাতে পারবেন বলে মনে হয় না! একই সঙ্গে ওই নেতার দাবি, দেখুন না আগামীদিনে কি কি চমক রয়েছে – রাজ্যে এবার একটি দল নির্বাচনে লড়ার মত জায়গাতেও থাকবে না!

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!