এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > শীতকালীন অধিবেশনে শুরু হলেই গান্ধী-পরিবারের জন্য বড়সড় ধাক্কা অপেক্ষা করছে? শোরগোল রাজধানীতে

শীতকালীন অধিবেশনে শুরু হলেই গান্ধী-পরিবারের জন্য বড়সড় ধাক্কা অপেক্ষা করছে? শোরগোল রাজধানীতে

ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রধানমন্ত্রীদের হত্যা হওয়ার ঘটনা দুই বার সামনে এসেছে এবং এই দুই বারই দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক পরিবার নেহরু-গান্ধী পরিবারের দুইজন সদস্য ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং আরেক ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী তারই পুত্র রাজীব গান্ধীকে হত্যা করা হয়েছে। 1984 সালের 31 অক্টোবর নিজের বাসভবনে নিজের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে প্রাণ হারাতে হয় ভারতবর্ষের তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে।

এরপরে তার পুত্র রাজীব গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হলে এসপিজি গঠন করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ এই সংস্থা প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ সুরক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ইন্দিরা গান্ধীর পুত্র তথা ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী তামিলনাড়ুর শ্রী পেরামপুদুরে মানব বোমার কবলে পড়ে নিহত হন। আর তারপরেই 1988 সালের এসপিজি আইনে সংশোধনের মাধ্যমে স্থির হয়, শুধু প্রধানমন্ত্রী নয়, ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারেরকেও 10 বছর পর্যন্ত এসপিজি স্পেশাল নিরাপত্তা দেওয়া হবে।

পরবর্তীতে অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের আমলে এসপিজি সুরক্ষায় আইনের সংশোধনী এনে স্থির করা হয়। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদেরকে পদ থেকে সরে যাওয়ার 1 বছর পর্যন্ত এসপিজি সুরক্ষা প্রদান করা হবে। যদিও 2014 সালে নরেন্দ্র মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে 2019 সালের জুলাই মাস পর্যন্ত পূর্ব প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের নিরাপত্তা বেষ্টনিতে কোনোরকম পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু গত 26 আগস্ট পূর্ব প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সুরক্ষা বাহিনী থেকে এসজিপি প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্রীয় সরকার।

যা নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক মহলের যথেষ্ট কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয় সরকারকে। কিন্তু সরকার তার নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এসপিজি সরে গেলেও জেড প্লাস সুরক্ষা পাবেন দেশের এই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তাকে সর্বদাই সুরক্ষা প্রদান করবেন আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানরা। আর এরপরই রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, এবার কি দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবার গান্ধী পরিবারের সদস্যরা এসপিজি সুরক্ষা হারাতে চলেছেন?

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

রাজধানীর রাজনীতিতে এই মুহূর্তে জল্পনা, খুব শীঘ্রই পূর্ব প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর স্ত্রী তথা কংগ্রেস অধ্যক্ষ সোনিয়া গান্ধী, পুত্র রাহুল গান্ধী এবং কন্যা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সুরক্ষা বেষ্টনী থেকে এসপিজি প্রত্যাহার করে নেবে কেন্দ্রীয় সরকার! বিশেষ সূত্র মারফত খবর, আগামী সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে এই সংক্রান্ত বিল আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যে বিলের জেরে এখন থেকে শুধুমাত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রীরাই এবং যাদের ক্ষেত্রে প্রাণনাশের হুমকি রয়েছে বা কোনো প্রকারের হামলার সম্ভাবনা রয়েছে, তারাই এসপিজি বিশেষ নিরাপত্তা পাবেন।

অপরদিকে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে আলোচনার মধ্যে উঠে এসেছে রাজীব কন্যা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তিনি শুধুমাত্র কংগ্রেস নেত্রী, কোনো কেন্দ্রের সাংসদ বা বিধায়ক নন, তাই তার সুরক্ষায় কেন এসপিজি দেওয়া হবে – উঠছে সেই প্রশ্ন! কোনো কেন্দ্রীয় বিশেষ সংস্থার মাধ্যমে তার প্রাণনাশের কোনো হুমকি বা হামলার কোনো পূর্বাভাস পাওয়া যায়নি। তাই শুধু শুধু এসপিজি সুরক্ষা প্রদান করাটা কেন্দ্র সরকারের কাছে অর্থনৈতিক বাহুল্য ছাড়া আর কিছু নয় বলেই সূত্রের খবর।

একইভাবে সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর সুরক্ষায় জেড প্লাস ক্যাটাগরির সুরক্ষা মোতায়ন রাখলেও তাদের সুরক্ষা বেষ্টনী থেকেও এসপিজি সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর। যার জেরে রীতিমত শোরগোল পড়ে গেছে রাজনৈতিক মহলের অন্দরে। বিরোধী দলের অনেক নেতাই একে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিহিংসাপরায়ন নীতিগুলো কটাক্ষ করছেন। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীয় সরকার তার নিজের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।

এখন আগামী শীতকালীন অধিবেশনে আনা এসপিজি সংশোধনী বিল নেহেরু গান্ধী পরিবারের নিরাপত্তা বেষ্টনীর দিকে এগোয় কিনা, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তবে, ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক – সর্বদায় দেশের ১ নম্বর রাজনৈতিক পরিবারের মর্যাদা পেয়ে এসেছে নেহেরু-গান্ধী পরিবার। ফলে, এই পরিবারের জন্য সর্বদাই কিছু না কিছু বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু, নরেন্দ্র মোদীর জামানায় সেই ‘ট্রেন্ডে’ এবার বদল আসতে চলেছে বলে তীব্র জল্পনা শুরু।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!