এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > কে হচ্ছেন নতুন টিএমসিপি সভাপতি? একাধিক নাম নিয়ে চর্চা দলের অন্দরেই

কে হচ্ছেন নতুন টিএমসিপি সভাপতি? একাধিক নাম নিয়ে চর্চা দলের অন্দরেই

কলেজে কলেজে ছাত্র ভর্তিতে তোলাবাজির অভিযোগের জেরে শাসকদলের ছাত্র সংগঠনের সভানেত্রী জয়া দত্তকে অপসারনের পর বর্তমানে অভিভাবকহীন তৃনমূল ছাত্র পরিষদ। কিন্তু আর কতদিন শূন্য হয়ে থাকবে এই টিএমসিপি সভাপতির চেয়ার? এই প্রশ্ন যখন ঘোরাফেরা করছে শাসকদলের বিভিন্ন কলেজ ইউনিট সদস্যসদের মধ্যে ঠিক তখনই দলীয় সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে ইতিমধ্যেই সাম্ভাব্যদের বায়োডাটা পরীক্ষাপর্ব চলছে। উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন, কলেজ রাজনীতিতে অভিজ্ঞ, স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কাউকে এবার ছাত্রসংগঠনের দ্বায়িত্ব দিতে চায় তৃনমূল। তবে এই প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তৃনমূল নেতা বলেন, “এরকম অনেককে নিয়েই আলোচনা হয়, তবে শেষপর্যন্ত কার ভাগ্যে শিকে ছিড়বে তা ঠিক করবেন স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।” এদিকে তৃণমূলের অন্দরে কান পাতলে অপসারিত টিএমসিপি দলনেত্রী জয়া দত্ত সম্পর্কে একাধিক অভিযোগ – কলেজে কলেজে যে তোলাবাজি হয়েছে তাতে তো তিনি লাগাম টানতে পারেনই নি উল্টে তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অনেকের নাম জড়িয়েছে। তার থেকেও বড় কথা দলের রাজ্য দপ্তরে তৃনমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে না জানিয়ে নিজ অনুগামীদের নিয়ে বৈঠকের মত গুরুতর অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এই অবস্থায় শিক্ষাঙ্গনে তোলাবাজি আটকাতে মাঠে নামতে হয় খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, যা রাজ্য রাজনীতিতে একেবারেই নজিরবিহীন। আর এরপরেই অসন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পদ হারাতে হয় টিএমসিপির জয়া দত্তকে। যদিও টিএমসিপির সভানেত্রীকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে কোনো সরকারি ঘোষনা করেনি তৃনমূল। সূত্রের খবর, এরই মাঝে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে দেখা করার পর শুক্রবার রাতে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথেও জয়া দত্ত দেখা করেন। কিন্তু তাতে কি বরফ গলেছে? নাকি জয়া দত্তকে সরিয়েও সরানো হয়নি? এই নিয়ে জল্পনা আরো তীব্র হয়েছে যখন তৃণমূল মহাসচিব ও শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীই দলের সর্বোচ্চ নেত্রী। তিনি যদি জয়াকে অপসারিত কলেন তাহলে তা পুনর্বিবেচনার প্রশ্নই ওঠে না।” তাহলে কে হবেন টিএমসিপির পরবর্তী সভাপতি? এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “নতুন মুখের খোঁজ চলছে। উচ্চশিক্ষা শেষ করা, স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কাউকে বসানো হবে এই পদে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, ছাত্র ভর্তিতে তোলাবাজির অভিযোগে সারা রাজ্যজুড়েই যে হইচই হয়েছে তা প্রথমত নজিরবিহীন, তার থেকেও বড়কথা এর আঁচ এসে পড়েছে সরাসরি শাসকদলের গায়ে। ফলে কলেজে কলেজে ছুটতে হয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রী বা শিক্ষামন্ত্রীকে। সামনেই লোকসভা নির্বাচনে, যদি এই ঘটনার রেশ ইভিএম পর্যন্ত পৌঁছায় তাহলে অনেক হিসেবে বদলে যেতে পারে, ফলে এবার উপযুক্ত স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কারোর হাতেই তৃনমূল ছাত্র পরিষদের দ্বায়িত্ব দিতে চায় শাসকদল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!