এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় বুলবুল! কখন, কোথায় আঘাত হানবে বাংলার বুকে – জেনে নিন বিস্তারিত

ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় বুলবুল! কখন, কোথায় আঘাত হানবে বাংলার বুকে – জেনে নিন বিস্তারিত

আবার বঙ্গবাসীকে আতঙ্কিত করে ধেয়ে আসছে একটি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। ফলে আবার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা। এদিকে আবহাওয়াবিদদের মতে, আজই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় থেকে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে বুলবুল। ফলে, ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির আশঙ্কা আরও বাড়ছে। সব থেকে সমস্যা হয়েছে, বারবার গতিপথ বদলাচ্ছে বুলবুল – ফলে ঠিক কখন কোথায় আঘাত হানবে এই ঘূর্ণিঝড় তা নিয়ে তৈরী হয়েছে ধন্দ।

এখনো পর্যন্ত এই ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান দেখে আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের ধারণা রবিবার দুপুরের আগেই তা আছড়ে পড়তে চলেছে স্থলভাগে। এখনো পর্যন্ত যে গতিপথের দিশা পাওয়া যাচ্ছে, তাতে মনে করা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ থেকে বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মাঝামাঝি কোথাও এই ঝড় আছড়ে পড়তে চলেছে। তবে রবিবার দুপুরে প্রথম স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও, আজ বিকেল থেকেই গোটা রাজ্যে ঝোড়ো হওয়া বইতে শুরু করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা এখনও পর্যন্ত যে ধারণা দিয়েছেন তাতে মনে করা হচ্ছে – আজ বিকেল বা সন্ধ্যে থেকেই ঘন্টায় ৪০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হওয়া বইতে শুরু করবে। তার সঙ্গেই ভারী ও অতি ভারী বর্ষনের সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। তবে ঝোড়ো হওয়ার সঙ্গে ভারী বর্ষণ আগামীকাল থেকে এই তিন জেলার সঙ্গে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর ও নদীয়া জেলাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে আছড়ে পড়লে ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই, এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে, মত্‍স্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে মানা করার পাশাপাশি, দীঘা, মন্দারমনি-সহ অন্যান্য সমুদ্র সৈকতগুলিতে পর্যটকদের সমুদ্রে নামতেও মানা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই, কেন্দ্র সরকারের তরফে বাংলা, ওড়িশা ও আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক করে, এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় যথাযথ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!