এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > কি হতে চলেছে বাংলায় পঞ্চায়েতের ফল? কি বলছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে?

কি হতে চলেছে বাংলায় পঞ্চায়েতের ফল? কি বলছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে?

Priyo Bandhu Media

বহু আইনি জটিলতার চোরাগলি পেরিয়ে অবশেষে দিনের আলোর মুখ দেখতে চলেছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। রাত পোহালেই ভোটগ্রহণ, তার আগে এক বেসরকাররি বৈদ্যুতিন সংবামাধ্যমে খোলাখুলি পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কথা বললেন রাজ্যতের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কি বলছেন তিনি –

১. আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেমন ফল আশা করছেন?
স্রেফ সময়ের অপেক্ষা, পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল বের হলেই দেখবেন – বাংলায় সবুজ ঝড় আরও উত্তাল হয়েছে। বাংলার পঞ্চায়েতে হান্ড্রেড পার্সেন্ট আসনে বিজয়ী হবে তৃণমূল কংগ্রেস।

২. বিরোধীদের দাবি রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাস করছে শাসকদল, তাই প্রার্থী দিতে পারে নি তারা।
যতই কুত্‍সা-অপপ্রচার চলুক, বাংলার মানুষ ভোট দেবেন তৃণমূল কংগ্রেসকেই। কারণ বাংলার মানুষের মনে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। যা দেখানো হচ্ছে সংবাদমাধ্যমগুলিতে, তা ফেক নিউজ। এক শ্রেণির সংবাদমাধ্যম কোনও কোনও ঘটনাকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখাচ্ছে। এ জিনিস বাংলার মানুষ মেনে নেবেন না।

৩. কি কারণে এত আত্মবিশ্বাসী তিনি?
বাংলার মানুষ জানেন, একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসই তাঁদের পরিষেবা দিতে পারে। তাই তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে। আমরা জিতব এবং বাংলার মানুষের জন্য কাজ করব। এটাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। তৃণমূল না জিতলে পরিষেবা পাবে না বাংলার মানুষ। আর কোনও দল এভাবে বাংলার মানুষকে পরিষেবা দিতে পারবে না। তাই বাংলার মানুষ তৃণমূলকেই চায়।

৪. এই নির্বাচনে বিজেপি কতখানি ফ্যাক্টর হতে চলেছে?
তৃণমূলকেই মানুষ বিজয়ী করবে। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদ- সব জায়গাতেই আমরা জিতব। বিজেপির মতো আমরা ১০০ কোটি টাকা দিয়ে ডিজিটাল প্রচার চালাই না। আমরা মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে বিশ্বাসী। মানুষের সঙ্গে আমাদের দলের সরাসরি যোগযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েতের ফল প্রকাশ হলেই তাই দেখা যাবে বাংলায় সবুজ ঝড় আরও উত্তাল হয়ে আছড়ে পড়ছে। অন্য সবাই-ই সেই ঝড়ে উড়ে যাবে।

৫. কিন্তু, বিরোধীদের দাবি এত সন্ত্রাস আগে হয় নি বাংলায়, যার ফল হচ্ছে ৩৪% আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়।
বাংলায় ৫৮ হাজার বুথে ভোট হচ্ছে, তার মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটি জায়গায় গন্ডগোল হয়েছে। সাকুল্যে ৮ থেকে ১০টি জায়গায় গন্ডগোল হয়েছে। আর সেটাই ফলাও করে দেখানো হচ্ছে বাংলায় সন্ত্রাস চলছে। ২০০৩ ও ২০০৮ সালের তুলনায় এবার কোনও গন্ডগোলই হয়নি। সবটাই এক শ্রেণির সংবাদমাধ্যম আর কিছু রাজনৈতিক দলের অপপ্রচার।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!