এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > শিক্ষামন্ত্রীর নিজস্ব সমীক্ষায় ‘অতিরিক্ত’ ২৮ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের উপর পড়তে চলেছে কোপ, বৃহত্তর আন্দোলনে WBPTTA

শিক্ষামন্ত্রীর নিজস্ব সমীক্ষায় ‘অতিরিক্ত’ ২৮ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের উপর পড়তে চলেছে কোপ, বৃহত্তর আন্দোলনে WBPTTA


প্রিয় বন্ধু বাংলা এক্সক্লুসিভ – গত ৪ ঠা ফেব্রুয়ারী, এক প্রতিবেদনে আমরা জানিয়েছিলাম জঙ্গলমহল, সুন্দরবন ও তরাই-ডুয়ার্স এলাকার মোট ৮ টি জেলার (আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পুরুলিয়া) মোট ২,৮৭৩ জন প্রাথমিক শিক্ষককে বদলি করা হচ্ছে। আপাতত এই ৮ টি জেলায় হলেই খুব শীঘ্রই বাকি জেলাগুলিতেও একই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আর প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই উচ্চ প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্তরেও এই বদলি প্রক্রিয়া শুরু হবে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই ঝড় উঠে গেছে রাজ্য রাজনীতিতে।

কিছুদিন আগেই বিভিন্ন ইস্যুতে ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রাইমারি ট্রেইন্ড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি পিন্টু পাড়ুইয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন। পিন্টুবাবুর কথা অনুযায়ী, সেই সাক্ষাতে বিভিন্ন আলোচনার মধ্যে অন্যতম ছিল শিক্ষকদের এই বদলির প্রসঙ্গ। সেখানেই, শিক্ষামন্ত্রী জানান, তিনি ব্যক্তিগতস্তরে সমীক্ষা করে দেখেছেন রাজ্যে মোট অতিরিক্ত ২৮ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক আছেন। আর তাই এই বদলি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, যে সমস্ত স্কুলে ৬০ জনের কম ছাত্রসংখ্যা সেখানে কিছুতেই দুজনের বেশি শিক্ষক রাখা যাবে না।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এর তীব্র প্রতিবাদ করেন পিন্টুবাবু – তিনি বলেন, বর্তমানে রাজ্যের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা মত পঞ্চম শ্রেণীও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত হবে। সেখানে পাঁচটি ক্লাস সামলাতে ন্যূনতম চারজন শিক্ষকের প্রয়োজন, ছাত্রসংখ্যা যাই হোক না কেন। যদি তা নয় হয়, তাহলে চারিদিকে যেভাবে ‘ব্যাঙের ছাতার’ মত ইংরেজি মাধ্যম স্কুল গজিয়ে উঠছে, সেক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাই সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়তে পারে। এছাড়াও সেদিন পিন্টুবাবুরা পিআরটি স্কেল নিয়েও আলোচনা করেন, পার্থবাবু পিন্টুবাবুদের কথা মেনে নিয়ে জানান, তিনি এই প্রসঙ্গে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন।

সেদিনের আলোচনায় আরও উঠে আসে পিটিটিআই শিক্ষকদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ প্রসঙ্গ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পাশাপাশি পিন্টুবাবুরা দাবি করেন, যাঁরা মামলা করেননি বা পরের ব্যাচের পিটিটিআই, তাঁদের জন্যও চাকরির দরজা খুলে দিতে হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে আসেন এই তিনটি প্রসঙ্গে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে আইনি পথে যেতে বাধ্য হবেন তাঁরা। এছাড়াও, এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে গতকালই তাঁকে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা ছিল পিন্টুবাবুদের। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়, তিনি রাজনৈতিক কাজে ব্যস্ত থাকায় কালকের সাক্ষাৎ সম্ভব নয়। তাই পিন্টুবাবুর দাবি, তাঁরা সংগঠনের তরফে আরও ৭ দিন অপেক্ষা করবেন মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাওয়ার জন্য, অন্যথায় শিক্ষক স্বার্থে এবার নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হবে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!