এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > ভোট লুট ও ছাপ্পা আটকাতে দ্বিতীয় দফাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা থেকে মাইক্রো অবজারভার

ভোট লুট ও ছাপ্পা আটকাতে দ্বিতীয় দফাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা থেকে মাইক্রো অবজারভার

গত 11 এপ্রিল প্রথম দফার লোকসভা ভোটে রাজ্যের কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রে যে সমস্ত বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না, সেই সমস্ত বুথে অবাধ নির্বাচন হয়নি বলে পরবর্তী দফাগুলোতে যাতে সমস্ত বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায় তার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছিল বিরোধীরা।

আর তাই এবারে বিরোধীদের সেই দাবিকে কিছুটা হলেও মান্যতা দিল নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, আগামী 18 এপ্রিল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রত্যেকটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া সম্ভব না হলেও ছাপ্পা ভোট রুখতে এবার দ্বিতীয় দফায় একাধিক ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা, ভিডিওগ্রাফি ও মাইক্রো অবজারভার রাখার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন।

অনেকে বলছেন, আসলে কেন্দ্রীয় বাহিনী যতই প্রতিটা বুথে থাকুক না কেন, এই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করে রাজ্য পুলিশই। ফলে সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর সমস্ত ভরসা না-রেখে ভোটকেন্দ্রে ঠিক কী ঘটছে তা সরাসরি দিল্লির কর্তাদের নজরে আনতে বেশিরভাগ জায়গায় সিসি ক্যামেরা, ভিডিওগ্রাফি ও মাইক্রো অবজারভারদের দ্বারা কড়া নজরদারি ব্যবস্থা করার কথা শোনা যাচ্ছে কমিশনের গলায়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

সূত্রের খবর, দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে মোট 1829 টি বুথের মধ্যে 300 টি বুথে ওয়েব কাস্টিং করা হবে। পাশাপাশি 100 টি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং শিলিগুড়ি মহকুমা এলাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে 150 জন মাইক্রো অবজারভারকে কাজে লাগানো হবে। এদিন এই প্রসঙ্গে শিলিগুড়ি মহকুমা শাসক তথা অ্যাডিশনাল রিটার্নিং অফিসার সিরাজ দানেশ্বর বলেন, “বিশেষ করে স্পর্শকাতর ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সেই কেন্দ্রের প্রতি মুহূর্তের খবর পাওয়া যাবে। কারণ কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথের বাইরে থাকার জন্য বুথের ভেতরে কি হচ্ছে তা তাদের নজরে থাকবে না। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে সেই সমস্ত ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ভিডিওগ্রাফির ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

সব মিলিয়ে এবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বুথের ভেতরে যাতে সুষ্ঠু পরিস্থিতি থাকে তার জন্য সিসি ক্যামেরা এবং মাইক্রো অবজারভার দিয়ে গোটা নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও অবাধ করতে তৎপর নির্বাচন কমিশন।

Top
error: Content is protected !!