এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দলের নেতাদের হয়ে প্রচারের “অজুহাতে” ভোটের ডিউটি মাপ “তৃণমূলী” শিক্ষকদের – শোরগোল রাজ্যজুড়ে

দলের নেতাদের হয়ে প্রচারের “অজুহাতে” ভোটের ডিউটি মাপ “তৃণমূলী” শিক্ষকদের – শোরগোল রাজ্যজুড়ে

বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক সন্ত্রাসের কথা তুলে ধরে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত বুথে যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি না দেওয়া হয় তাহলে তারা ভোটের ডিউটি করবেন না বলে ইতিমধ্যেই রাজ্যের নানা প্রান্তে আন্দোলন শুরু করেছেন শিক্ষকরা। শুধু তাই নয়, নিজেদের বাড়ির সদস্য সদস্যা এবং সন্তান সন্ততিদেরও এই ব্যাপারে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছেন তারা।

মাঝে মাঝেই স্লোগান উঠছে, “প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাব না, ভোটের ডিউটি করব না” “কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার, হতে চাই না রাজকুমার”। আর প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি নিয়ে যখন শিক্ষকদের বিভিন্ন আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠছে রাজ্য, ঠিক তখনই এবার ভোট প্রচারের কাজ করার যুক্তি দেখিয়ে ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি নিতে দেখা যাচ্ছে একাধিক শিক্ষককে।

সূত্রের খবর, রবিবার বাঁকুড়ার একটি তালিকা প্রকাশ্যে আসায় সেখানে দেখা গেছে যে, প্রার্থীর হয়ে প্রচারের কাজে থাকার জন্য ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি চেয়ে রেখেছেন প্রায় আড়াইশোরও বেশি শিক্ষক। আর আশ্চর্যজনক ভাবে এই সমস্ত শিক্ষকেরা শাসকদলের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। তবে শুধু তৃণমূলের পক্ষ থেকেই নয়, বিরোধী দল বিজেপি, ফরওয়ার্ড ব্লক এবং বামপন্থী সহ অন্য দলের শিক্ষকরাও দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করার জন্য ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি চাইতে শুরু করেছেন।

এদিন এই প্রসঙ্গে বাঁকুড়া সদর সার্কেলের শিক্ষক জগবন্ধু দে বলেন, “আমি স্থানীয় তৃণমূল নেতাকে সমস্যার কথা বলেছিলাম। এলাকায় প্রচার থেকে যাবতীয় কাজের দায়িত্ব আমার ওপরই থাকে। তিনি বলেছিলেন, কোনো চিন্তা নেই ছাড়া আদায় করে দেব।” কেন তারা ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি চাইছেন?

এই প্রশ্ন শোনার পরেই কৃষানু দাস নামে এক শিক্ষক বলেন, “আজ আমি খুব অসুস্থ, পরে কথা হবে।” তবে শিক্ষকরা এইভাবে ভোটের ডিউটিতে অব্যাহতি চাওয়ার পেছনে মূল কারণ অন্য বলে দাবি করেছেন শিক্ষক নেতা স্বপন মন্ডল। এদিন তিনি বলেন, “আসলে শাসকপন্থীরাও ভোটে গন্ডগোলের ভয় পাচ্ছেন। আর সেই কারণেই তারা দলকে শিখন্ডী করে ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি নিচ্ছেন। আমি যতদূর জানি যে জেলা কমিটির সদস্য না হলে এই ছাড় পাওয়া যায় না।” তবে এই গোটা ঘটনাকে শাসক দলের তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠনের সভানেত্রী কৃষ্ণকলি বসু বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করলেও কৃষ্ণকলিদেবীর এহেন দাবি মানতে নারাজ বিরোধীরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!